রুবিও বৈঠকেও গলেনি বরফ! এক্স হ্যান্ডেলে ১০০% শুল্কের উদ্বেগ প্রকাশ জয়শঙ্করের

নয়াদিল্লি: ভারত আমেরিকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে রাশিয়ান তেল (Jaishankar)কেনার ওপর সম্ভাব্য ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘ সাধারণ…

jaishankar-rubio-russia-sanctions

নয়াদিল্লি: ভারত আমেরিকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে রাশিয়ান তেল (Jaishankar)কেনার ওপর সম্ভাব্য ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট বা এসআরআইএ নিয়ে ভারতের স্বার্থ ও উদ্বেগের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

Advertisements

জয়শঙ্কর এক্স-এ পোস্ট করে জানান, “মার্কিন বিদেশমন্ত্রী রুবিওর সঙ্গে দেখা হয়ে ভালো লাগল। এসআরআইএ বিষয়ে ভারতের স্বার্থ ও উদ্বেগের কথা আবারও তুলে ধরেছি। (Jaishankar)উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।” রুবিওও বৈঠকের কথা উল্লেখ করে ভারত-মার্কিন কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও মজবুত করার কথা বলেছেন।মার্কিন কংগ্রেস সম্প্রতি লিন্ডসে ও গ্র্যাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬ পাস করেছে।

   

আরও দেখুনঃ ভারতীয় বিমান বাহিনীকে আরও ভয়ঙ্কর করতে BDL র সঙ্গে ৮১১ কোটির চুক্তি মোদী সরকারের

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এতে স্বাক্ষর করেছেন। এই আইনে রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জোরদার করার পাশাপাশি রাশিয়ান তেল ও গ্যাস কেনা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টকে দেওয়া হয়েছে। শুল্ক স্বয়ংক্রিয় নয়, তবে প্রেসিডেন্ট চাইলে আরোপ করতে পারেন।ভারত ২০২২ সালের পর থেকে রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা হয়ে উঠেছে।

Advertisements

সস্তা তেল আমদানি করে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং পরিশোধন শিল্পকে সাশ্রয়ী কাঁচামাল সরবরাহ করা হচ্ছে। চিন ও বড় ক্রেতা। এই আইন কার্যকর হলে ভারতীয় পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপিত হতে পারে, যা রফতানিকারকদের ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্কে চাপ তৈরি করতে পারে।

ভারত ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, তারা বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে। (Jaishankar)বিদেশ মন্ত্রণালয় বলেছে, এই বিষয়টি উচ্চ পর্যায়ে মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।জয়শঙ্কর ও রুবিওর বৈঠকে শুধু এই বিষয়ই নয়, উপসাগরীয় অঞ্চলের পরিস্থিতি এবং ইউক্রেন সংকট নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

ভারত-মার্কিন সম্পর্ক কৌশলগত পর্যায়ে রয়েছে। প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও ইন্দো-প্যাসিফিক সহযোগিতায় দুই দেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। তবে রাশিয়ান তেল কেনার বিষয়টি দুই দেশের মধ্যে সংবেদনশীল ইস্যু হয়ে উঠেছে।ভারতের অবস্থান স্পষ্ট দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটানো অগ্রাধিকার। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল রাখতেও রাশিয়ান তেল আমদানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মার্কিন শুল্কের হুমকি এই ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই জয়শঙ্কর বৈঠকে ভারতের উদ্বেগ সরাসরি তুলে ধরেছেন।

Advertisements