৬৫০০০ মাইনে- আমেরিকার খরচ বহন করতেন কি করে? অভিযোগ অভিজিতের বাবার বিরুদ্ধে

মুম্বই: একজন সাধারণ বেতনভোগী মানুষ কীভাবে ছেলেকে আমেরিকায় পড়তে পাঠালেন (Abhijeet Dipke)। এই প্রশ্ন ঘিরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে মহারাষ্ট্রে। সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট অমিত তিওয়ারি অভিজিৎ…

abhijeet-dipke-father-complaint

মুম্বই: একজন সাধারণ বেতনভোগী মানুষ কীভাবে ছেলেকে আমেরিকায় পড়তে পাঠালেন (Abhijeet Dipke)। এই প্রশ্ন ঘিরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে মহারাষ্ট্রে। সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট অমিত তিওয়ারি অভিজিৎ দিপকের বাবা শঙ্কর ভগবান দিপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি বলেছেন, মাত্র ৬৫ হাজার টাকা মাসিক বেতনে চাকরি করে কীভাবে ছেলেকে বিদেশে পড়াশোনার খরচ বহন করা সম্ভব হল।

Advertisements

অমিত তিওয়ারি তিনটি আলাদা অভিযোগ দায়ের করেছেন। প্রথমত, মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে শঙ্কর ভগবান দিপকের বিরুদ্ধে। তাঁর অভিযোগ, অভিজিৎ দিপকের আমেরিকায় পড়াশোনার খরচ বছরে ৩০ লক্ষ থেকে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে। এত কম বেতনে এই খরচ বহন করা কীভাবে সম্ভব, তা তদন্ত করতে হবে। অভিযোগে বলা হয়েছে, অবৈধ সম্পত্তি বা অবৈধ অর্থায়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা উচিত।

   

আরও দেখুনঃ আরও সংকটে ডলার! রাশিয়া-বাংলাদেশের বাণিজ্যে ব্যবহার হবে ভারতীয় রুপি

দ্বিতীয় অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে। ককরোচ জনতা পার্টির (Abhijeet Dipke)বিরুদ্ধে অর্থ সংগ্রহের অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অমিত। তৃতীয় অভিযোগ কপিল সিব্বালের ১০০০ কোটি টাকার ফান্ডের বিরুদ্ধে। তিনি বলেছেন, এই ফান্ড থেকে ১৮ শতাংশ জিএসটি নেওয়া হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।অমিত তিওয়ারি বলেন, “একজন সাধারণ চাকুরিজীবী কীভাবে এত টাকা খরচ করে ছেলেকে বিদেশে পাঠালেন?

Advertisements

এর পেছনে কোনো অস্বচ্ছতা আছে কি না, তা তদন্ত হওয়া দরকার।” তাঁর অভিযোগে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে বলছেন, এই ধরনের প্রশ্ন উঠলে স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া উচিত। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে।অভিজিৎ দিপকের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি।

আরও দেখুনঃ যোগী রাজ্যে ওয়াকফ বোর্ডের দুর্নীতি ফাঁস করে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি খোদ মৌলানা রাজভি

শঙ্কর ভগবান দিপকের (Abhijeet Dipke)বেতন এবং আয়ের উৎস নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। অমিত তিওয়ারির অভিযোগে বলা হয়েছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ধরনের অসঙ্গতি দেখলে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।মহারাষ্ট্র সরকার এখনও এই অভিযোগের আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি। তবে যদি তদন্ত শুরু হয়, তাহলে বিষয়টি আরও জটিল হতে পারে। অর্থের উৎস, বিদেশে পড়াশোনার খরচ এবং সম্ভাব্য অবৈধ লেনদেন সবকিছু খতিয়ে দেখা হবে।

Advertisements