দুর্গাপুজোয় বাঙালির পাতে পদ্মার ইলিশ? রফতানির আর্জি বাংলাদেশের ১৮টি সংগঠনের

Hilsa Export: সামনেই দুর্গাপুজো! আর সেই সময় মাছে ভাতে বাঙালির পাতে যদি ইলিশ মাছ পড়ে তাহলে আর কোনও কথাই নেই। দুর্গাপুজোর সময় শুধু বাংলা নয়,…

Hilsa Hype or Hollow Promise? Just 145 Tons Delivered from 1,200 Cleared

Hilsa Export: সামনেই দুর্গাপুজো! আর সেই সময় মাছে ভাতে বাঙালির পাতে যদি ইলিশ মাছ পড়ে তাহলে আর কোনও কথাই নেই। দুর্গাপুজোর সময় শুধু বাংলা নয়, গোটা দেশেই ইলিশের চাহিদা থাকে তুঙ্গে। এই চাহিদার কথা মাথায় রেখে ভারতে ইলিশ রফতানির অনুমতি চাইল বাংলাদেশ। আবেদন জানাল বাংলাদেশের ১৮টি প্রতিষ্ঠান।

Advertisements

এই প্রতিষ্ঠানগুলি মনে করে শুধু দুর্গাপুজোই নয়, গোটা দেশেই ইলিশ রফতানির সুযোগ করে দেওয়া উচিত। গত বছর ভারতে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রফতানির অনুমতি মেলে। তবে শেষ পর্যন্ত ১৫০ টন ইলিশ রফতানি হয়। এমন পরিস্থিতি না হওয়ার আর্জিও জানিয়েছে তারা।

   

চট্টগ্রামের জেএস এন্টারপ্রাইজ ও আনরাজ ফিশ প্রোডাক্টস; ঢাকার ভিজিল্যান্ট এক্সপ্রেস, স্বর্ণালী এন্টারপ্রাইজ, ম্যাজেস্টিক এন্টারপ্রাইজ ও বিডিএস করপোরেশন সহ মোট ১৮টি প্রতিষ্ঠান এই আবেদিন জানিয়েছে। তাদের আবেদনের পর বুধবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রককে চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রক।

তারা জানিয়েছে অন্তত ২ মাস বা সারা বছর তাদের রফতানির সুযোগ দেওয়া উচিত। কারণ ভারতে ইলিশ রফতানির সমস্ত কাজ শেষ করা কঠিন – যেমন দুর্গাপুজোর সময় মাত্র ২০ থেকে ২৫ দিনের সময়সীমার মধ্যে ঋণপত্র বা এলসি খোলা, ইলিশ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিং করতে হয়।

Advertisements

বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতি চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বিদেশ মন্ত্রক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠান ভারতের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন। কী রয়েছে এই চিঠিতে? চিঠিতে জানানো হয়েছে, ১৯৯৬ সাল থেকে বাংলাদেশ প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৫ হাজার টন ইলিশ ভারতে রফতানি করত। যা ২০১২ তে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে দুর্গাপুজো উপলক্ষে ৫০০ টন ইলিশ রফতানির বিশেষ অনুমতি পাওয়া যায়। এরপর ২০২০ তে ১ হাজার ৮৫০ টন ইলিশ রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়। ২০২৩-এ ৩ হাজার ৯৫০ টন ইলিশ রফতানির অনুমতি মেলে। যদিও মোট ১ হাজার ৩০০ টন ইলিশ ভারতে রফতানি হয়। ২০২৫-এ মাত্র ৫৭৭ টন ইলিশ রফতানি হয় ভারতে।

Advertisements