India-Middle East-Europe Economic Corridor-এ ট্রাম্পের পূর্ণ সমর্থন, ইরানের ‘চেকপয়েন্ট’ এড়ানোর পরামর্শ আমেরিকার

India-Middle East-Europe Economic Corridor (IMEC)-কে সমর্থন করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভার সাধারণ অধিবেশনের মাঝে এই কথা বলেন তিনি। ট্রাম্প নিউ ইয়র্কে গালফ…

trump-cuts-us-tariff-on-india-from-25-to-18-percent

India-Middle East-Europe Economic Corridor (IMEC)-কে সমর্থন করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভার সাধারণ অধিবেশনের মাঝে এই কথা বলেন তিনি। ট্রাম্প নিউ ইয়র্কে গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিল (GCC) এবং আরব দেশগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে এই প্রসঙ্গ অবতারণার পর IMEC-কে সমর্থনের কথা জানান তিনি।

Advertisements

সেইসঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন ইরানের নিয়ন্ত্রণ বা প্রভাব কম থাকে এমন বিকল্প পথ খোঁজার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি পরিকাঠামোর তাই সরিয়ে দেওয়া উচিত অন্য পথে। বৈঠকে ট্রাম্প জানান, মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে তেল সরবরাহের জন্য নতুন রাস্তার সন্ধান করা উচিত, যেখানে ইরানের হস্তক্ষেপ থাকবে না।

   
IMEC কী

ভারত, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপ একটি বিরাট অর্থনৈতিক করিডর তৈরি করতে চাইছে। এই প্রকল্পে স্থলপথ ও সমুদ্রপথের যোগাযোগ বাড়ানোর রাস্তা খোঁজা হচ্ছে। সেইসঙ্গে রেল যোগাযোগ বৃদ্ধি ও জ্বালানি সরবরাহের যোগান বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই IMEC-কে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন ট্রাম্প। IMEC-এর লক্ষ্য হল ভারত থেকে পশ্চিম এশিয়া হয়ে ইউরোপের বাজারে পণ্য পরিবহনের সময় ও খরচ কমানো।

পশ্চিম এশিয়ায়র সাম্প্রতিক সংকটের সময় নেওয়া সাময়িক পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ সুরক্ষা ব্যবস্থায় পরিণত করতে চাইছে সরকার। ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে পশ্চিম এশিয়ার স্থিতিশীলতা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এই অঞ্চল থেকেই দেশের বড় অংশের অপরিশোধিত তেল আমদানি হয়। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন হয়। এই পথ সুরক্ষিত না থাকলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগতে পারে।

Advertisements

উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ ইকোনমিক করিডোর (IMEC)। এই উচ্চাভিলাষী প্রকল্প এশিয়া, পারস্য উপসাগর ও ইউরোপকে যুক্ত করছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন অধ্যায় রচনা করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গাজার পুনর্গঠনেও ভারতের অভিজ্ঞতা ও এই প্রকল্পের কৌশলগত গুরুত্ব কাজে লাগবে।

Advertisements