কলকাতা: উইকএন্ডে বা এক-দুদিনের ছুটিতে সমুদ্রের হাওয়ায় মন জুড়াতে দিঘা যাওয়ার পরিকল্পনা করলেই মাথায় আসে ট্রেন বা বাসের টিকিট কাটার ঝঞ্ঝাট। কিন্তু অগ্রিম বুকিংয়ের চিন্তা দূরে সরিয়ে অত্যন্ত কম খরচে এবং বিনা টিকিটের বুকিংয়েই এবার পৌঁছে যাওয়া সম্ভব দিঘায়। হাওড়া থেকে সরাসরি কোনো লোকাল ট্রেন না থাকলেও, ছোট্ট একটি ট্রিক বা রুট বদল করলেই নামমাত্র খরচে আরামসে দিঘা পৌঁছে যাওয়া যাবে।
কীভাবে যাবেন রিজার্ভেশন ছাড়া?
হাওড়া থেকে দিঘা যাওয়ার জন্য এক্সপ্রেস ট্রেনের ওপর নির্ভর করার কোনো প্রয়োজন নেই। প্রথমে হাওড়া স্টেশন থেকে যেকোনো লোকাল ট্রেনে চেপে চলে যেতে হবে পাঁশকুড়া জংশনে। হাওড়া থেকে পাঁশকুড়া পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট।
পাঁশকুড়া স্টেশনে নেমে কিছুক্ষণ বিশ্রাম বা ফ্রেশ হয়ে সেখান থেকে ধরে নিতে হবে দিঘাগামী লোকাল ট্রেন (EMU Train)। পাঁশকুড়া থেকে দিঘা পৌঁছাতে সময় লাগে মোটামুটি আড়াই ঘণ্টার মতো। এই রুটে দিনে প্রায় ৫ থেকে ৭টি লোকাল ট্রেন চলাচল করে, তাই যাত্রার আগে সময়সূচি দেখে পরিকল্পনা করলেই কাজ হাসিল।
মাত্র ৪৫ টাকায় সফর কীভাবে সম্ভব?
পুরো যাত্রাপথটি অত্যন্ত সাশ্রয়ী৷ হাওড়া থেকে পাঁশকুড়া লোকাল ট্রেনের সাধারণ টিকিট কাটলে খরচ মাত্র ১৫ টাকা। এরপর পাঁশকুড়া থেকে দিঘার লোকাল ট্রেনের ভাড়া মাত্র ৩০ টাকা। অর্থাৎ, সব মিলিয়ে মাত্র ৪৫ টাকা খরচ করেই হাওড়া থেকে সোজা দিঘার সৈকতে পৌঁছে যাওয়া সম্ভব!
যাত্রীদের অভিজ্ঞতা ও সুবিধা
নিয়মিত যাতায়াতকারী ও পর্যটকদের একাংশের মতে, এক্সপ্রেস ট্রেনের তুলনায় এই লোকাল ট্রেনগুলিতে ভিড় অনেকটাই কম থাকে। একটু আগেভাগে হাওড়া স্টেশনে পৌঁছাতে পারলে লোকাল ট্রেনেই আরামসে বসার সিট পেয়ে যাওয়া যায়। তাছাড়া অফিস টাইম বাদ দিলে পাঁশকুড়া-দিঘা লাইনেও অতিরিক্ত জঞ্জাল বা ভিড় থাকে না। ফলে লম্বা ছুটির ফাঁদে না পড়ে পকেটসই খরচে উইকএন্ড ট্রিপের জন্য এটি এক দারুণ বিকল্প।
মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,
