এই কাজ করলেই বরখাস্ত! সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য কড়া আচরণবিধি জারি লালবাজারে

কলকাতা: লালবাজারের অন্দরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সিভিক ভলান্টিয়ারদের কার্যক্ষমতা বাড়াতে একগুচ্ছ নয়া নির্দেশিকা জারি করল কলকাতা পুলিশ। রবিবারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য একটি…

কলকাতা: লালবাজারের অন্দরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সিভিক ভলান্টিয়ারদের কার্যক্ষমতা বাড়াতে একগুচ্ছ নয়া নির্দেশিকা জারি করল কলকাতা পুলিশ। রবিবারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য একটি নতুন ‘কোড অফ কনডাক্ট’ বা আচরণবিধিতে সিলমোহর দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ। নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, ঢিলেঢালা মনোভাব বা অসদাচরণ বরদাস্ত করা হবে না। এবার থেকে নিয়মিত কাজের পর্যালোচনার পাশাপাশি গুরুতর অপরাধ বা শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে সোজা চাকরি থেকে বরখাস্ত করার মতো কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপও করা হবে।

Advertisements

ত্রৈমাসিক পারফরম্যান্স রিভিউ ও রিপোর্ট জমা

নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, সিভিক ভলান্টিয়ারদের কাজের মান ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়মিত পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। প্রতি তিন মাস অন্তর সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (OC) কিংবা নির্দিষ্ট ইউনিট প্রধানরা স্ব স্ব এলাকার সিভিক ভলান্টিয়ারদের পারফরম্যান্স নিয়ে একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট তৈরি করবেন। সেই ত্রৈমাসিক রিপোর্ট নির্ধারিত প্রোটোকল মেনে সরাসরি ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (হোমগার্ড)-এর দফতরে জমা দিতে হবে।

   

কোণ কোন অপরাধে কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি?

কর্তব্যে চরম গাফিলতি, শৃঙ্খলার বেড়া ভাঙা, দুর্নীতি, তোলাবাজির মতো গুরুতর অভিযোগ কিংবা কোনো ফৌজদারি মামলায় জড়িয়ে পড়ার মতো ঘটনা প্রমাণিত হলে বরখাস্তের মতো কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। এছাড়া সাধারণ মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ এড়াতেও কড়া নজরদারি রাখা হবে। অন্যদিকে, চিকিৎসাজনিত কারণে বা শারীরিক অক্ষমতার জেরে কেউ দায়িত্ব পালনে অপারগ হলে, ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ সেই অনুযায়ী যথাযথ সিদ্ধান্ত নেবেন।

বিনা নোটিসে দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে বরখাস্তের খাঁড়া

কোনো রকম আগাম অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন কাজে উধাও থাকার প্রবণতা রুখতেও নির্দিষ্ট পদক্ষেপের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে৷ একটানা সাত দিন কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকলে প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপের (WhatsApp) মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ভলান্টিয়ারকে নোটিশ পাঠানো হবে এবং ব্যাখ্যার জন্য সাত দিনের সময়সীমা ধার্য করা হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক উত্তর না মিললে দেওয়া হবে চূড়ান্ত নোটিশ। এরপরও যদি যোগাযোগ না করা হয় কিংবা সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হন অভিযুক্ত কর্মী, তবে তাঁকে স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে ছেঁটে ফেলা হবে।

Advertisements

‘গুজরাট মডেলে পশ্চিমবঙ্গের উন্নতি সম্ভব নয়!’ বার্তা শমীকের

মনোনয়ন প্রত্যাহারের তিন ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টি! রেজিনগরে লড়ার ঘোষণা রবিউলের

Advertisements