দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনে ৪টির মধ্যে টি পদে বড় জয় বিজেপি ছাত্র সংগঠন ABVP র

নয়াদিল্লি: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ বা ডুসু নির্বাচনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ বা (DUSU Election)এবিভিপি বড় জয় পেয়েছে। কেন্দ্রীয় প্যানেলের চারটি পদের মধ্যে তিনটিতেই জয়ী…

dusu-election-2026

নয়াদিল্লি: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ বা ডুসু নির্বাচনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ বা (DUSU Election)এবিভিপি বড় জয় পেয়েছে। কেন্দ্রীয় প্যানেলের চারটি পদের মধ্যে তিনটিতেই জয়ী হয়েছে এবিভিপি। সভাপতি, সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদক পদে তাঁদের প্রার্থীরা জিতেছেন। অন্যদিকে কংগ্রেস সমর্থিত এনএসইউআই কেন্দ্রীয় প্যানেলে একটি পদও জিততে পারেনি।

Advertisements

উপসভাপতি পদটি জিতেছেন নির্দলীয় প্রার্থী দীপাংশু শোকিন। (DUSU Election)সভাপতি পদে এবিভিপির যশ ডাবাস ২৪,৫৭৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। এনএসইউআইর বিজয় শংকর মীনা পেয়েছেন ২২,৫২৩ ভোট। ব্যবধান ছিল ২,০৫৩ ভোট। সম্পাদক পদে এবিভিপির রিয়া ছাওড়ি ২১,৬৫০ ভোট পেয়ে জয়ী হন। যুগ্ম সম্পাদক পদে লক্ষ্য রাজ সিং ১৬,৬১৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।

   

আরও দেখুনঃ ডেঙ্গু দমনে নতুন অস্ত্র, শীঘ্রই ভারতে চালু হচ্ছে টেসিডার ডেঙ্গু ভ্যাকসিন ‘কিউডেঙ্গা’

উপসভাপতি পদে নির্দলীয় দীপাংশু শোকিন সবচেয়ে বেশি ৩০,৬১৫ ভোট পেয়েছেন। তিনি আগে এনএসইউআইর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু টিকিট না পাওয়ায় নির্দলীয় হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।নির্বাচনে মোট ভোটার উপস্থিতি ছিল প্রায় ৪০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। শুক্রবার ৫২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শেষ হয় এবং শনিবার গণনা সম্পন্ন হয়। এবিভিপি এই জয়কে ঐতিহাসিক বলে দাবি করেছে।

Advertisements

গতবারও তাঁরা তিনটি পদ জিতেছিল। (DUSU Election)এনএসইউআইর জন্য এটি বড় ধাক্কা, কারণ কেন্দ্রীয় প্যানেলে তাঁরা শূন্য পেয়েছেন।দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা এই ভোটের মাধ্যমে তাঁদের পছন্দ স্পষ্ট করে দিয়েছেন। এবিভিপি প্রার্থীরা ছাত্রদের বিভিন্ন দাবি নিয়ে প্রচার চালিয়েছিলেন। নতুন সভাপতি যশ ডাবাস বলেছেন, তিনি ছাত্রদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাবেন। উপসভাপতি দীপানশু শোকিনও ছাত্রদের কণ্ঠস্বর হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

ডুসু নির্বাচন দিল্লির ছাত্র রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ। এখানকার ফলাফল প্রায়ই জাতীয় ছাত্র রাজনীতির ধারা নির্দেশ করে। এবারের ফলাফলে এবিভিপির আধিপত্য স্পষ্ট। (DUSU Election)এনএসইউআইকে এখন নতুন করে কৌশল ঠিক করতে হবে। নির্দলীয় প্রার্থীর জয় দেখিয়েছে যে ছাত্ররা ব্যক্তিগত পছন্দকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন।বিজয়ী প্রার্থীরা এখন দায়িত্ব নিয়ে কাজে নেমে পড়বেন। ছাত্রদের শিক্ষা, সুযোগ-সুবিধা, নিরাপত্তা ও অন্যান্য বিষয়ে তাঁদের ভূমিকা কেমন হয়, সেদিকেই নজর থাকবে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সমাজ এই নির্বাচনের মাধ্যমে একবার আবার তাঁদের মতামত জানিয়ে দিয়েছে।

Advertisements