নয়াদিল্লি: মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন। ( space cooperation)তিনি বলেছেন, “কোনো ভুল করবেন না, আমরা চাঁদে যাচ্ছি এবং চাঁদের পৃষ্ঠে ভারতকে আমাদের পাশে চাই।” এই মন্তব্য শুধু কূটনৈতিক সৌজন্য নয়, বরং দুই দেশের মহাকাশ সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভারত ও আমেরিকার মধ্যে মহাকাশ গবেষণায় দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এই বক্তব্যের মাধ্যমে।
রাষ্ট্রদূত গোরের এই কথায় স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে যে আমেরিকা (space cooperation)চাঁদে ফিরে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে এবং সেই যাত্রায় ভারতকে অংশীদার হিসেবে দেখতে চায়। চাঁদের পৃষ্ঠে একসঙ্গে পদার্পণের এই আহ্বান দুই দেশের বৈজ্ঞানিক ও কৌশলগত সম্পর্কের গুরুত্বকে তুলে ধরে। ভারত ইতিমধ্যেই চাঁদে সফল মিশন পরিচালনা করে বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
আরও দেখুনঃ ‘ভারতের শিল্পক্ষেত্রে বিপ্লব আনবে AI!’ নতুন প্রজন্মকে AI মুখী করতে বার্তা মোদীর
চন্দ্রযান মিশনগুলোর সাফল্য ভারতকে মহাকাশ শক্তির তালিকায় শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গেছে। এখন আমেরিকা সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে যৌথ অভিযানের কথা ভাবছে।মহাকাশ খাতে ভারত ও আমেরিকার সহযোগিতা নতুন কিছু নয়। গত কয়েক বছরে দুই দেশের মধ্যে প্রযুক্তি ভাগাভাগি, উপগ্রহ উৎক্ষেপণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় একাধিক চুক্তি হয়েছে।
রাষ্ট্রদূতের এই বক্তব্য সেই সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে।(space cooperation) চাঁদের পৃষ্ঠে একসঙ্গে কাজ করার অর্থ শুধু প্রতীকী নয়, এটি বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতের মহাকাশ অর্থনীতির দিকেও ইঙ্গিত করে। চাঁদে স্থায়ী উপস্থিতি গড়ে তোলার পরিকল্পনায় ভারতের অংশগ্রহণ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।ভারতের মহাকাশ সংস্থা ইসরো ইতিমধ্যেই সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তির জন্য পরিচিত।
কম খরচে সফল মিশন পরিচালনার অভিজ্ঞতা আমেরিকার মত দেশের কাছে আকর্ষণীয়। অন্যদিকে আমেরিকার অ্যাডভান্সড প্রযুক্তি এবং দীর্ঘদিনের মহাকাশ অভিজ্ঞতা ভারতের জন্য উপকারী হতে পারে। দুই দেশের এই পরিপূরক শক্তি একত্রিত হলে চাঁদে যৌথ গবেষণা অনেক দূর এগোতে পারে। রাষ্ট্রদূত গোর সেই সম্ভাবনাকেই সামনে নিয়ে এসেছেন।এই বক্তব্যের প্রভাব শুধু বৈজ্ঞানিক মহলে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
এটি দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্কেরও প্রতিফলন। (space cooperation)ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতা এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতার প্রেক্ষাপটে মহাকাশ খাত ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। চাঁদে যৌথ উপস্থিতি দুই দেশের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক আরও মজবুত করবে। একই সঙ্গে এটি অন্যান্য দেশগুলোর কাছেও বার্তা দেবে যে ভারত ও আমেরিকা মহাকাশ অঙ্গনে একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের ঘোষণা ভবিষ্যতের মিশন পরিকল্পনাকে ত্বরান্বিত করতে পারে।
