মাদক অভিযানে কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে রেকর্ড! মোদীর নেতৃত্বে ১ কোটি ১৯ লক্ষ মাদক বাজেয়াপ্ত

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি ড্রাগ অভিযান নিয়ে (drug seizures)এক গুরুত্বপূর্ণ তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেছেন। দেশের মাদকবিরোধী লড়াইয়ের অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেছেন তিনি ।…

modi-drug-seizures-amit-shah

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি ড্রাগ অভিযান নিয়ে (drug seizures)এক গুরুত্বপূর্ণ তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেছেন। দেশের মাদকবিরোধী লড়াইয়ের অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেছেন তিনি । তিনি বলেছেন, কংগ্রেস শাসনামলে অর্থাৎ ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত মাত্র ২৬ লক্ষ কেজি মাদকদ্রব্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল, যার আনুমানিক মূল্য ছিল ৪০ হাজার কোটি টাকা।

Advertisements

অথচ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ২০১৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এই সংখ্যা লাফিয়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৯ লক্ষ কেজিরও বেশি। এর মূল্য প্রায় ১ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা। এই তথ্য তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেছেন যে মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থান এখন স্পষ্ট ফল দিচ্ছে।অমিত শাহের এই বক্তব্য দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

   

আরও দেখুনঃ বিরোধী জোট জিতলে প্রধানমন্ত্রী পদের স্বাভাবিক দাবিদার রাহুলই! অকপট বাম নেতা

মাদক সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে ভারতের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে আসছে(drug seizures)। তরুণ প্রজন্ম বিশেষভাবে এর শিকার হয়। পাচারকারীরা আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মাদক পৌঁছে দেয়। এই প্রেক্ষাপটে বাজেয়াপ্ত হওয়া মাদকের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়াকে সরকারের সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Advertisements

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন আগের এক দশকে যেখানে সীমিত পরিমাণে অভিযান চালানো হয়েছিল, (drug seizures)সেখানে গত প্রায় বারো বছরে অভিযানের গতি ও পরিধি দুটোই বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।এই বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা, গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয় বাড়ানো, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বিত অভিযান এসবের ফলে মাদক পাচারকারীদের নেটওয়ার্ক ভাঙতে সুবিধা হয়েছে বলে সরকারের দাবি।

সমুদ্রপথ, স্থলপথ ও আকাশপথ সব জায়গাতেই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ফলে বড় বড় চালান আটকানো সম্ভব হয়েছে। বাজেয়াপ্ত হওয়া মাদকের মূল্যের এই বিপুল বৃদ্ধি ইঙ্গিত দেয় যে শুধু পরিমাণ নয়, উচ্চমূল্যের মাদকদ্রব্যও এখন বেশি করে ধরা পড়ছে।তবে শুধু বাজেয়াপ্ত সংখ্যা বাড়লেই সমস্যার সমাধান হয় না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, চাহিদা কমানো এবং পুনর্বাসনের ওপরও জোর দিতে হবে।

মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী না হলে (drug seizures)পাচারকারীরা নতুন পথ খুঁজে নেবে। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে এনডিপিএস আইন সংশোধন, কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালু রাখা হয়েছে। স্কুল-কলেজে মাদকের কুফল নিয়ে প্রচার, পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এসব পদক্ষেপের ফলেই বাজেয়াপ্তের পরিমাণ এতটা বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisements