বারাণসী: বারাণসীর লাল বাহাদুর শাস্ত্রী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কৃষকদের জন্য এক বড় সুখবর(Varanasi)। কৃষিপণ্য রফতানির জন্য কোল্ড স্টোরেজের ধারণক্ষমতা দ্বিগুণ করা হয়েছে। আগে যেখানে পাঁচ টন ধরত, এখন তা বাড়িয়ে দশ টন করা হয়েছে। এর সঙ্গে দূর-দূরান্তের গ্রাম থেকে আসা কৃষকদের জন্য আলাদা ওয়েটিং রুমও তৈরি করা হয়েছে।
ফলে এখন আর তাঁদের পণ্য প্রক্রিয়াকরণের সময় এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়াতে হয় না।এই উন্নয়নকে বারাণসীর কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপহার হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালে নতুন সুবিধাগুলোর উদ্বোধন করা হয়েছে। স্থানীয় বিধায়ক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিমানবন্দর পরিচালক জানিয়েছেন, আগে কোল্ড স্টোরেজে জায়গা কম থাকায় কৃষক বা এফপিও-এর লোকেরা পণ্য নিয়ে এলে রাখতে সমস্যা হত।
আরও দেখুনঃ সার্কিট হাউসের রাস্তায় নামাজ কেন? সমাজবাদী হাজি মহম্মদের বিরুদ্ধে FIR যোগী পুলিশের
এখন ধারণক্ষমতা দ্বিগুণ হওয়ায় সেই সমস্যা আর থাকবে না।দূরের গ্রাম থেকে ফল-সবজি নিয়ে আসা কৃষকদের (Varanasi)জন্য নতুন সুবিধা কক্ষ তৈরি করা হয়েছে। এখন তাঁরা সেখানে বসে নিজেদের পালা আসার অপেক্ষা করতে পারবেন। আগে তাঁদের বিমানবন্দর চত্বরে ঘুরে বেড়াতে হত। এই ছোট পরিবর্তনও কৃষকদের জন্য বড় স্বস্তি এনে দিয়েছে। তাজা ফল ও সবজি যাতে নষ্ট না হয়, সেদিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। নতুন কোল্ড স্টোরেজে পণ্য নিরাপদে রাখা যাবে।
কখনো বিমান বাতিল হলেও পণ্য খারাপ হওয়ার ঝুঁকি কমে যাবে।পূর্বাঞ্চলের কৃষকরা এখন আরও সহজে উপসাগরীয় দেশসহ অন্যান্য বাজারে সবজি ও ফল পাঠাতে পারবেন। বারাণসী ও আশপাশের জেলাগুলোতে উৎপাদিত কৃষিপণ্যের রফতানি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। কৃষকরা ভালো দাম পাবেন এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরতা কমবে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই উন্নয়নের ফলে কার্গো হ্যান্ডলিং আরও মসৃণ হবে। রফতানি প্রক্রিয়া সহজ হবে এবং সময় কম লাগবে। কৃষকরা সরাসরি বিমানবন্দরে পণ্য নিয়ে এসে জমা দিতে পারবেন। নতুন সুবিধাগুলো তাঁদের জীবনযাত্রায় কিছুটা হলেও পরিবর্তন আনবে। দূরের গ্রাম থেকে রাতভর ভ্রমণ করে এসেও এখন আরামে অপেক্ষা করার জায়গা পাচ্ছেন তাঁরা।
এই উদ্যোগ শুধু ধারণক্ষমতা বাড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি কৃষিকে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার এক ধাপ। বারাণসী বিমানবন্দরকে (Varanasi)কৃষি রফতানির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আরও পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে ধারণক্ষমতা আরও বাড়ানোর কথা ভাবা হচ্ছে। পূর্বাঞ্চলের কৃষকরা যাতে নিজেদের উৎপাদিত পণ্য বিদেশে পাঠাতে পারেন, সেই সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।
