ভারতকে শায়েস্তা করতে বাংলাদেশে ISI র ভীত শক্ত করার বিতর্কিত বিবৃতি BNP পন্থী বিশ্লেষকের

ঢাকা: বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে হইচই ফেলে দিয়েছে এক বিতর্কিত মন্তব্য(ISI RAW)। বিএনপিপন্থী বিশ্লেষক শহিদুজ্জামান সম্প্রতি এক বিবৃতিতে বলেছেন, “পাকিস্তানের আইএসআই-কে বাংলাদেশে শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।…

bangladesh-isi-raw-controversy

ঢাকা: বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে হইচই ফেলে দিয়েছে এক বিতর্কিত মন্তব্য(ISI RAW)। বিএনপিপন্থী বিশ্লেষক শহিদুজ্জামান সম্প্রতি এক বিবৃতিতে বলেছেন, “পাকিস্তানের আইএসআই-কে বাংলাদেশে শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। ভারতের র-কে মোকাবিলা করার একমাত্র ওষুধ হল আইএসআই। র-কে তাদের চেয়ে ভালো আর কেউ চেনে না। দিল্লিকে ঠেকাতে পাকিস্তানের সমর্থন একদমই অপরিহার্য।”

Advertisements

   

এই মন্তব্য প্রকাশ পেতেই সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে (ISI RAW)রাজনৈতিক অঙ্গন পর্যন্ত আলোচনার ঝড় উঠেছে।শহিদুজ্জামানের এই বক্তব্যকে অনেকেই চরম উসকানিমূলক বলে মনে করছেন। তিনি দাবি করেছেন, প্রতিবেশী দেশের গোয়েন্দা সংস্থার উপস্থিতি বাড়িয়েই ভারতের প্রভাব ঠেকানো সম্ভব। তাঁর মতে, আইএসআই-এর অভিজ্ঞতা র-এর কার্যকলাপ মোকাবিলায় সবচেয়ে কার্যকর।

আরও দেখুনঃ বদলে গেল নিয়ম! এবার মাত্র ১ বছরের অভিজ্ঞতা নিয়েও কাজ করার সুযোগ পাওয়া যাবে সুপ্রিমকোর্টে

Advertisements

এই ধরনের বক্তব্য বাংলাদেশের বিদেশ নীতি ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। (ISI RAW)রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন মন্তব্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে অনাবশ্যক উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।বিএনপির সঙ্গে যুক্ত এই বিশ্লেষকের বক্তব্য দলের অভ্যন্তরেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ কেউ তাঁর মতকে ব্যক্তিগত মতামত বলে দাবি করলেও, অনেকেই মনে করছেন এ ধরনের বক্তব্য দলের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোর গোয়েন্দা সংস্থা নিয়ে আলোচনা নতুন নয়। তবে সরাসরি এক দেশের গোয়েন্দা সংস্থাকে অন্য দেশে ‘শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত’ করার আহ্বান খুব কমই শোনা যায়। শহিদুজ্জামানের এই কথা তাই অনেকের কাছেই চরমপন্থী বলে বিবেচিত হচ্ছে।সামাজিক মাধ্যমে এই মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়াও দুই ধাঁপের।

আরও দেখুনঃ শাস্তি হবেই! লাহোরে থাকা পহেলগাঁও মৃত্যুমিছিলের ভিলেন হাফিজ সাঈদকে শমন পাঠাচ্ছে মোদী সরকার

কেউ কেউ তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় যেকোনো পদক্ষেপই নেওয়া উচিত। আবার অধিকাংশই একে উসকানিমূলক ও বিপজ্জনক বলে সমালোচনা করেছেন। তাঁরা মনে করছেন, অন্য দেশের গোয়েন্দা সংস্থার ওপর নির্ভরশীলতা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। নিজস্ব গোয়েন্দা সক্ষমতা বাড়ানোই প্রকৃত পথ হওয়া উচিত বলে মত দিয়েছেন অনেকে।

কূটনৈতিক মহলও এই বক্তব্যকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। (ISI RAW)ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন সংবেদনশীল সময়ে একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মুখ থেকে এ ধরনের মন্তব্য দ্বিপাক্ষিক আস্থার পরিবেশ নষ্ট করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কও ইতিহাসের নানা পর্বে ওঠানামা করেছে। সেই প্রেক্ষাপটে আইএসআই-এর উপস্থিতি বাড়ানোর আহ্বান নতুন করে উত্তেজনা তৈরির আশঙ্কা জন্ম দিয়েছে।

Advertisements