লখনউ: উত্তর প্রদেশ সরকার ২০২৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মহিলাদের (UP women)জন্য বড় আর্থিক সহায়তা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, যোগী আদিত্যনাথ সরকার মহিলাদের কল্যাণে মোট ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব বিবেচনা করছে। ভাস্করসহ একাধিক সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, নির্বাচনের আগেই ২০ হাজার টাকা প্রথম কিস্তি হিসেবে দেওয়া হতে পারে।
এরপর যদি বিজেপি আবার ক্ষমতায় আসে, তাহলে আরও তিন কিস্তিতে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হতে পারে। এভাবে মোট সহায়তার পরিমাণ ৫০ হাজার টাকায় পৌঁছাতে পারে।এই প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সরকারের অভ্যন্তরে আলোচনা চলছে এবং বিস্তারিত নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে । প্রস্তাবিত প্রকল্পে বার্ষিক আয় ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পরিবারের মহিলাদের অন্তর্ভুক্ত করার কথা ভাবা হচ্ছে।
আরও দেখুনঃ স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দিল্লিতে বোমাতঙ্ক! নিশানায় লালকেল্লা-বিমানবন্দর
তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি, বিপিএল পরিবার এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পরিবারের মহিলাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। মহিলা কল্যাণ দফতরের মাধ্যমে এই প্রস্তাব এগোচ্ছে বলে জানা গিয়েছে ।এই পরিকল্পনা নির্বাচনী রাজনীতির প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ।
উত্তর প্রদেশে মহিলারা ভোটারদের প্রায় ৪৫ শতাংশ। অন্যান্য রাজ্যে যেমন মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও বিহারে অনুরূপ নগদ সহায়তা প্রকল্প সফল হয়েছে, সেদিকে নজর রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর বিষয়টিও বিবেচনাধীন। একই সঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিদ্যমান প্রকল্পগুলো সম্প্রসারণের বিকল্পও আলোচনায় আছে।
আলাদাভাবে মেধাবী ছাত্রীদের জন্য আরও একটি প্রস্তাব নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। (UP women)একই আয়সীমার পরিবারের মেধাবী মেয়েরা স্কুটার, হেলমেট, চার লিটার পেট্রোল, রেজিস্ট্রেশন ও বীমার সুবিধা পেতে পারেন। এটি শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এবং মেয়েদের শিক্ষায় এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এটিও এখনো প্রস্তাবনা পর্যায়ে রয়েছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
আরও দেখুনঃ জনগণনার জন্য ৪০ টি প্রশ্নের সেট তৈরী করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক
সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রকল্পের আর্থিক দিক ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে এখনো বিস্তারিত আলোচনা চলছে। কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা এখনো আসেনি। এটি শুধুমাত্র সরকারের অভ্যন্তরীণ বিবেচনাধীন প্রস্তাব। যদি অনুমোদিত হয়, তাহলে লক্ষ লক্ষ মহিলা উপকৃত হতে পারেন। তাদের হাতে নগদ অর্থ এলে পরিবারের অর্থনৈতিক চাপ কিছুটা কমবে এবং আত্মনির্ভরশীলতা বাড়বে
