মোদী সাক্ষাতে ক্যান্সারের গবেষণার জন্য কাঁঠালের পাঠা বিদেশে পাঠানো ‘জ্যাকফ্রুট কিং’ মিথিলেশ

নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সম্প্রতি (Mithilesh Desai)এক অনানুষ্ঠানিক সাক্ষাতে দেখা হয়েছে ভারতের ‘জ্যাকফ্রুট কিং’ খ্যাত মিথিলেশ দেশাইয়ের। সুপ্রিয়া সুলে-র মেয়ের বিয়ের রিসেপশনে এই সাক্ষাৎ…

mithilesh-desai-jackfruit-king

নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সম্প্রতি (Mithilesh Desai)এক অনানুষ্ঠানিক সাক্ষাতে দেখা হয়েছে ভারতের ‘জ্যাকফ্রুট কিং’ খ্যাত মিথিলেশ দেশাইয়ের। সুপ্রিয়া সুলে-র মেয়ের বিয়ের রিসেপশনে এই সাক্ষাৎ হয়। সেখানে তিনি মোদীকে তাঁর কাঁঠাল চাষ ও উদ্ভাবনী কাজের কথা তুলে ধরেন। মহারাষ্ট্রের রত্নগিরি জেলার এই যুবক কৃষক এখন সারা দেশে পরিচিত।

Advertisements

মিথিলেশ দেশাইকে ভারতের কাঁঠাল রাজা বলা হয়। তিনি ৮৮টিরও বেশি জাতের কাঁঠাল চাষ করেন। তাঁর খামারে বিভিন্ন রঙের ও স্বাদের কাঁঠাল রয়েছে। কৃষি প্রকৌশলে পড়াশোনা করে তিনি প্রথাগত চাষাবাদ ছেড়ে বিজ্ঞানসম্মতভাবে কাঁঠাল চাষ শুরু করেন। কঙ্কণ অঞ্চলে কাঁঠালকে অবহেলিত ফল মনে করা হত। তিনিই এটিকে সম্ভাবনাময় ফসল হিসেবে তুলে ধরেছেন।তাঁর কাজ শুধু চাষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

   

আরও দেখুনঃ অগ্নি-৫ র সাফল্যের পর এবার শত্রুর বুকে কাঁপন ধরাতে প্রস্তুত হচ্ছে ১০০০০ পাল্লার অগ্নি- ৬

তিনি কাঁঠালের পাতা জার্মানিতে পাঠিয়েছেন ক্যানসার গবেষণার জন্য। পাতার নির্যাস নিয়ে সেখানে গবেষণা চলছে। এছাড়া তিনি ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাষাবাদ ও কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থাপনা করছেন। এতে কৃষকরা স্বচ্ছভাবে সুবিধা পাচ্ছেন। তাঁর উদ্যোগে হাজার হাজার চারা কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। ত্রিশ হাজারেরও বেশি চারা ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

Advertisements

মিথিলেশ ২০২০ সালে জ্যাকফ্রুট কিং অ্যাগ্রো প্রডিউসার কোম্পানি গড়ে তোলেন। (Mithilesh Desai)এই কোম্পানির মাধ্যমে তিনি শতাধিক কৃষকের সঙ্গে কাজ করছেন। কাঁঠাল থেকে ভেগান মাংস, চিপস, পাউডারসহ নানা পণ্য তৈরি হচ্ছে। কাঁঠালের বীজ পুষ্টিকর এবং খোসা সার ও পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। পুরো গাছটিকেই কাজে লাগানোর চেষ্টা করছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি তাঁর কাজের বিস্তারিত তুলে ধরেন। মোদী মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

আরও দেখুনঃ স্বস্তি পেলেন আদানি! মার্কিন আদালতে খারিজ হয়ে গেল সমস্ত অভিযোগ

এই সাক্ষাৎ সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। অনেকেই মিথিলেশের সাফল্যের গল্প শেয়ার করছেন। একজন সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান কিভাবে উদ্ভাবনী কাজ করে জাতীয় মঞ্চে পৌঁছালেন, সেটাই অনেককে অনুপ্রাণিত করছে।কাঁঠাল ভারতে ব্যাপকভাবে জন্মায়। কিন্তু এর বাণিজ্যিক সম্ভাবনা অনেকদিন অবহেলিত ছিল। মিথিলেশ দেখিয়েছেন, সঠিক গবেষণা ও প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে এটিকে লাভজনক করা যায়। তাঁর খামারে বিভিন্ন জাত সংরক্ষণ করা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আরও উন্নত জাত তৈরির ভিত্তি হতে পারে।

Advertisements