হাওয়ালা অভিযোগে প্রতীক জৈনের স্ত্রী-ভাইকে ইডি তলব

কলকাতা: আই-প্যাক ঘিরে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত আরও জোরালো করল কেন্দ্রীয় সংস্থা। (IPAC hawala)হাওয়ালা লেনদেনের অভিযোগে এবার সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের পরিবারকেও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা…

ipac-hawala-case-prateek-jain-ed-summons-vinesh-chandel-2026

কলকাতা: আই-প্যাক ঘিরে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত আরও জোরালো করল কেন্দ্রীয় সংস্থা। (IPAC hawala)হাওয়ালা লেনদেনের অভিযোগে এবার সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের পরিবারকেও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হয়েছে। জানা গিয়েছে, আগামী ১৫ এপ্রিল দিল্লিতে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছে প্রতীক জৈনের ভাই পুলকিত জৈন এবং তাঁর স্ত্রী বার্বি জৈনকে। এই ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

Advertisements

এর আগেই আই-প্যাকের অন্যতম ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেলকে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট । অভিযোগ, হাওয়ালা মারফত প্রায় ৫০ কোটি টাকার লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের পর এই গ্রেফতারি করা হয়েছে এবং এর সঙ্গে একটি পৃথক এফআইআর-এর যোগ রয়েছে, যা দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে দায়ের করা হয়েছিল।

   

আরও দেখুনঃ নববর্ষের দিনেই বাংলায় হালখাতা খোলা শুরু বিজেপির

তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২ এপ্রিল আই-প্যাকের একাধিক অফিসে তল্লাশি চালানো হয়। সেই তল্লাশি থেকেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে এসেছে বলে দাবি করছে ইডি। তদন্তকারীদের মতে, ‘রামসেতু ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ নামে একটি সংস্থা থেকে প্রায় সাড়ে ১৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল, যেখানে কোনও সুদ বা শর্ত ছিল না। এই ধরনের লেনদেনের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার চেষ্টা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, হাওয়ালা লেনদেন প্রমাণিত হলে তা গুরুতর অর্থনৈতিক অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে এই ধরনের অভিযোগ সামনে আসায় রাজনৈতিক তাৎপর্যও বাড়ছে। যদিও আই-প্যাকের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই অভিযোগ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Advertisements

রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। বিরোধীদের দাবি, এই ধরনের তদন্ত নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হচ্ছে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সংস্থার পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, সম্পূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া মেনেই তদন্ত চলছে এবং যাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ মিলছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Advertisements