Murshidabad: প্রার্থী-প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূল, আইনি নোটিস দিল পুলিশ

মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত। (Murshidabad)সাসপেন্ড হওয়া তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক এবং জনতা উন্নয়ন পার্টির (জেউপি) প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরের জামাই রেহান ইসলামকে মাদক আইনের একটি…

humayun-Kabir

মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত। (Murshidabad)সাসপেন্ড হওয়া তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক এবং জনতা উন্নয়ন পার্টির (জেউপি) প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরের জামাই রেহান ইসলামকে মাদক আইনের একটি মামলায় পুলিশ আইনি নোটিস পাঠিয়েছে। তাকে ২৮ ফেব্রুয়ারি লালগোলা থানায় হাজিরা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে হুমায়ুন কবীরের পক্ষ থেকে বিস্ফোরক দাবি উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসই তার জামাইকে লালগোলা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করার প্রস্তাব দিয়েছিল।

Advertisements

এই NDPS মামলার শুরু ২০২৫ সালের মার্চ মাসে। লালগোলা থানার পুলিশ জিয়াউর রহমান নামে এক ব্যক্তিকে প্রায় ৫০০ গ্রাম মাদকদ্রব্য সহ গ্রেফতার করে। জিয়াউর রহমান রেহান ইসলামের বাবা শরিফুল ইসলামের দূর সম্পর্কের আত্মীয়। তদন্তে শরিফুল ইসলাম ও রেহান ইসলামের নাম উঠে আসে। পুলিশের অভিযোগ, এই পরিবারের সম্পত্তি মাদক পাচারের অর্থ দিয়ে অর্জিত, যা তাদের পরিচিত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।

   

ফলে হাইকোর্টের নির্দেশে ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে শরিফুল ইসলামের ১৪টি সম্পত্তি বাড়ি, দোকান, আম-লিচুর বাগান, জমি, দুটি গাড়ি এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট মোট মূল্য প্রায় ১০.৭৩ কোটি টাকা ফ্রিজ করা হয়। লালগোলা পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় নোটিস টাঙিয়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া শুরু করে।এর মধ্যে নতুন মোড় এসেছে রেহান ইসলামের ওপর সরাসরি নোটিস দিয়ে। পুলিশ বলছে, তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা জরুরি।

২৮ ফেব্রুয়ারি থানায় না হাজির হলে আরও কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। হুমায়ুন কবীরের মেয়ে নাজমা সুলতানা এই পুরো ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বাবা নতুন দল গঠন করার পর থেকেই পরিবারের ওপর চাপ বাড়ানো হচ্ছে। সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত, নোটিস সবই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ষড়যন্ত্র।হুমায়ুন কবীর নিজে আরও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেস তার জামাই রেহানকে লালগোলা থেকে প্রার্থী করার প্রস্তাব দিয়েছিল।

Advertisements

একজন মালদার ব্যক্তির মাধ্যমে তার বেয়াইয়ের কাছে প্রস্তাব পৌঁছেছিল। কিন্তু তিনি জনতা উন্নয়ন পার্টি গঠন করায় এখন প্রতিশোধ নেওয়া হচ্ছে। হুমায়ুন প্রশ্ন তুলেছেন যাকে প্রার্থী করতে চেয়েছিল, তার বিরুদ্ধে এখন কেন পুরনো মাদক মামলা সক্রিয় করা হল? এটা স্পষ্ট রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। হুমায়ুন কবীর ২০২৪-এর পর তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হন এবং জেউপি গঠন করেন। সম্প্রতি তিনি মুর্শিদাবাদে ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণের ঘোষণা দিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছেন এবং ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে মুর্শিদাবাদে শূন্য করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন।

Advertisements

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *