গোপন ভূগর্ভস্ত কমান্ড সেন্টারে হামলা! মৃত ৫০ সেনা অফিসিয়াল

তেহরান: ইরানের ইসলামিক শাসনের জন্য বিরাট ধাক্কা। (IRGC underground)মার্কিন এবং ইজরায়েলের বিমানবাহিনী তেহরানে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর একটি গোপন ভূগর্ভস্থ কমান্ড সেন্টারে হামলা চালিয়েছে।…

us-israel-airstrike-irgc-underground-command-center-tehran

তেহরান: ইরানের ইসলামিক শাসনের জন্য বিরাট ধাক্কা। (IRGC underground)মার্কিন এবং ইজরায়েলের বিমানবাহিনী তেহরানে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর একটি গোপন ভূগর্ভস্থ কমান্ড সেন্টারে হামলা চালিয়েছে। খবর অনুসারে, এই হামলায় ৫০-এর বেশি উচ্চপদস্থ আইআরজিসি অফিসার নিহত হয়েছেন। তারা আগামী দিনগুলোয় ইজরায়েল এবং মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন বলে সূত্রের দাবি।

Advertisements

এই ঘটনা ২০২৬-এর ইরান যুদ্ধের মধ্যে ঘটেছে, যা ফেব্রুয়ারি শেষের দিকে মার্কিন-ইজরায়েলি যৌথ অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে চলছে। যুদ্ধের শুরু থেকেই মার্কিন-ইজরায়েলি বাহিনী ইরানের মিসাইল, ড্রোন এবং কমান্ড স্ট্রাকচারকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালাচ্ছে। তেহরানের এই ভূগর্ভস্থ সেন্টারটি আইআরজিসি-র গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সাইট ছিল, যেখানে উচ্চপদস্থ অফিসাররা নিরাপদে বৈঠক করতে পারতেন।

   

আরও দেখুনঃ DA ঘোষণার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই বিজ্ঞপ্তি সরকারের

হামলাটি স্যাটেলাইট ইন্টেলিজেন্স এবং প্রিসিশন গাইডেড মিসাইল বা বাঙ্কার-বাস্টার বোমা ব্যবহার করে চালানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।সূত্রের খবর, এই হামলায় নিহতদের মধ্যে আইআরজিসি-র বিভিন্ন শাখার সিনিয়র কমান্ডার রয়েছেন। তারা আগামী দিনে ইজরায়েলের উপর মিসাইল বা ড্রোন হামলার পরিকল্পনা করছিলেন। এই ধরনের একটা বড় ক্ষতি ইরানের প্রতিশোধমূলক ক্ষমতাকে অনেকটা কমিয়ে দিয়েছে।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আইআরজিসি-র অনেক শীর্ষ নেতা যেমন কমান্ডার-ইন-চিফ, ডিফেন্স মিনিস্টার, আর্মড ফোর্সেস চিফ অফ স্টাফ ইতিমধ্যে নিহত হয়েছেন। এই নতুন হামলা সেই ধারাবাহিকতায় আরও বড় ধাক্কা।ইরানের সরকার এখনও এই হামলার বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য করেনি, কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়েছে।

Advertisements

ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) এবং মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ আসেনি, তবে ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স এবং স্যাটেলাইট ইমেজারি থেকে ধ্বংসের ছবি সামনে এসেছে। তেহরানের আকাশে ধোঁয়া এবং বিস্ফোরণের ভিডিও ছড়িয়েছে।

এই যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মনে রাখতে হবে, ফেব্রুয়ারি ২৮-এ শুরু হওয়া এই অভিযানে ইরানের মিসাইল কমপ্লেক্স, ড্রোন বেস, নিউক্লিয়ার-সংক্রান্ত সাইট এবং রেজিমের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং ইজরায়েলি নেতৃত্ব বলছেন, এটা ইরানের নিউক্লিয়ার অ্যাম্বিশন এবং প্রক্সি গ্রুপের মাধ্যমে হামলা রুখতে প্রয়োজনীয়। ইরানের পক্ষ থেকে প্রতিশোধমূলক মিসাইল এবং ড্রোন হামলা চলছে ইজরায়েল, ইউএই, সৌদি আরবের লক্ষ্যবস্তুতে। কিন্তু আইআরজিসি-র কমান্ড স্ট্রাকচারের এই ক্ষতি তাদের সমন্বয়হীন করে দিতে পারে।

Advertisements