এসসিও সামিটের মাঝেই বৈঠক! মুখোমুখি মোদী ও ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের দামামার মাঝেই কিরঘিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) সামিটের ফাঁকে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ…

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের দামামার মাঝেই কিরঘিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) সামিটের ফাঁকে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সোমবার এই দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠক ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণের নিরিখে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।

Advertisements

প্রেক্ষাপট ও মোদী-পেজেশকিয়ান বৈঠক

আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার জেরে গত মার্চ মাসেই পশ্চিম এশিয়ায় কার্যত সার্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। সেই সময় টেলিফোনে ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সেবার পেজেশকিয়ান ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ইরানের তৎকালীন পরিস্থিতি এবং গোটা এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি বিস্তারিতভাবে জানিয়েছিলেন। আর এবার বিশকেকে সামনাসামনি বৈঠকে বসলেন দুই নেতা।

   

পুতিন ও পাশিনিয়ানের সঙ্গে মোদীর জোড়া বৈঠক

এদিন ইরানের পাশাপাশি আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। দুই নেতার মধ্যে প্রতিরক্ষা, অর্থনীতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সংস্কৃতি এবং শিক্ষা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি-সহ আন্তর্জাতিক নানা বিষয়েও মতবিনিময় করেছেন তাঁরা। মোদী জানিয়েছেন, আর্মেনিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরও নিবিড় করতে আগ্রহী ভারত। এদিনই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গেও মোদীর বৈঠকের কথা রয়েছে। এছাড়া, কিরঘিজস্তানের প্রেসিডেন্ট সাদির জাপারোভের আমন্ত্রণে ষষ্ঠ ‘ওয়ার্ল্ড নোম্যাড গেমস’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

যুদ্ধ নিয়ে ইরানের কড়া বার্তা

বিশকেক রওনা হওয়ার আগেই পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট। তিনি স্পষ্ট জানান, ইরান নিজে থেকে যুদ্ধ চায় না, তবে যে কোনও আগ্রাসনের কড়া ও চূড়ান্ত জবাব দিতে তারা প্রস্তুত। আঞ্চলিক অস্থিরতা যে সমস্ত দেশের জন্যই ক্ষতিকর, সে কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি। পেজেশকিয়ান বলেন, “এসসিও সামিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন এক সময়ে এই বৈঠক হচ্ছে যখন কিছু আন্তর্জাতিক শক্তি বিশ্বে একাধিপত্য কায়েম করতে চাইছে। সেখানে এই সামিট বৈচিত্র্যময় এবং স্বাধীন স্বরের প্রতীক।”

Advertisements

মঙ্গলবার এসসিও-র ২৬তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, যেখানে সদস্য দেশগুলির রাষ্ট্রনেতারা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন।

আমেরিকার ঘাতক ড্রোন গুলি করে নামল ইরান! কতটা সুরক্ষিত ভারতের এমকিউ-৯বি?

নেপালের চেকপোস্টে আটকে ফিরল ২ গাড়ি ভারতের ত্রাণ

Advertisements