“আমি যুদ্ধ থামাতে ওস্তাদ”! ইজরায়েল পার্লামেন্টে ‘বিবি’-র প্রশংসায় পঞ্চমুখ ট্রাম্প

তেল আভিভ: নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেলেও যুদ্ধ বন্ধ করা চালিয়ে যাবেন তিনি। গাজা শান্তি চুক্তি (Gaza Peace Deal) ঘোষণা সত্ত্বেও ২০২৫-এর নোবেল হাতছাড়া হওয়ার…

তেল আভিভ: নোবেল শান্তি পুরস্কার না পেলেও যুদ্ধ বন্ধ করা চালিয়ে যাবেন তিনি। গাজা শান্তি চুক্তি (Gaza Peace Deal) ঘোষণা সত্ত্বেও ২০২৫-এর নোবেল হাতছাড়া হওয়ার পর বলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)।

Advertisements

সোমবার হামাস ইজরায়েলি বন্দীদের মুক্তি দেওয়ার পর ইজরায়েলের পার্লামেন্টে ট্রাম্প বললেন, “আজ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ভোরের সূচনা হল। ধন্যবাদ ‘বিবি’ (নেতানিয়াহু)। মানুষ তোমাকে এর জন্য বেশি মনে রাখবে”। এদিন ২০ জন ইজরায়েলি বন্দীর মুক্তির ঘটনা ২ বছর ব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর শান্তির নতুন দিক উন্মোচন করল, বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

   

জেরুজালেমে উল্লাসিত নেসেট সদস্যদের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প বলেন, “বন্দীরা ফিরে এসেছেন। এটা বলতে খুব ভালো লাগছে।” “এখন থেকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম, এটিকে শুভ পরিবর্তনের ঐতিহাসিক ক্ষণ বলে স্মরণ করবে”, বলেন ট্রাম্প।

“প্যালেস্তানীয়দেরও দুঃস্বপ্ন শেষ”

Advertisements

ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে হামাসের (Hamas) শেষ ২০ জন জীবিত বন্দীকে মুক্তি দেওয়ার পরিবর্তে ইজরায়েল কয়েক ডজন প্যালেস্তানীয় বন্দী ও আটক ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়। রেড ক্রস কর্তৃক গাজা থেকে স্থানান্তরের পর ইজরায়েলি সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে তারা জীবিত সকল বন্দীকে ফেরত নিয়েছে।

এদিন তেল আভিভের “হোস্টেজ স্কোয়ার”-এ আবেগঘন উদযাপনের দৃশ্য দেখা যায়। ট্রাম্প ঘোষণা করেন, “কেবল ইজরায়েলিদের জন্যই নয়, প্যালেস্তানীয়দের জন্যও দীর্ঘ দুঃস্বপ্ন অবশেষে শেষ হয়েছে। এটি ইজরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যের জন্য একটি অত্যন্ত আনন্দের সময়”।

বামপন্থী নেতার রোষের মুখে ট্রাম্প

ইজরায়েলি বন্দীদের মুক্তি ও নেতানিয়াহুর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেও প্যালেস্তানীয়দের (Palestanian) দুর্দশা কতটা কাটবে তা নিয়ে সংশয় কাটছে না অনেক মহলেই। এদিন জেরুজালেমের পার্লামেন্টে যে শুধুমাত্র খুশির আমেজ ছিল তা নয়।

গাজা শান্তি চুক্তি অনুষ্ঠানে পার্লামেন্টে (নেসেট) ট্রাম্পের ভাষণে প্যালেস্তাইনের স্বীকৃতির দাবীতে গর্জে ওঠেন এক বামপন্থী ইসরায়েলি সদস্য। সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাকে টেনে হিঁচড়ে পার্লামেন্ট থেকে বহিষ্কার করে দেয়।

নেসেটের স্পিকার আমির ওহানা এই হট্টগোলের জন্য ট্রাম্পের কাছে ক্ষমা চান। প্রতিবাদী ওই ইজরায়েলি সাংসদ সহ আরও এক সদস্যকে বহিষ্কার করার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তারা “খুবই দক্ষ”, যা দেখে অন্যান্য সংসদ সদস্যদের মধ্যে হাসির রোল ওঠে।

Advertisements