আরব সাগরে শক্তি প্রদর্শন! চিনা প্রযুক্তিতে তৈরি হ্যাংগর শ্রেণির সাবমেরিন থেকে ক্রুজ মিসাইল নিক্ষেপ

Pakistan Navy: পাকিস্তান নৌবাহিনী তাদের চিনা-নির্মিত ‘হ্যাংগর’ (Hangor) শ্রেণির সাবমেরিন ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো সরাসরি গোলাবর্ষণ বা ‘লাইভ-ফায়ারিং’ মহড়া চালিয়েছে। এই মহড়ার সময় সাবমেরিনটি থেকে…

Pakistan Navy: পাকিস্তান নৌবাহিনী তাদের চিনা-নির্মিত ‘হ্যাংগর’ (Hangor) শ্রেণির সাবমেরিন ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো সরাসরি গোলাবর্ষণ বা ‘লাইভ-ফায়ারিং’ মহড়া চালিয়েছে। এই মহড়ার সময় সাবমেরিনটি থেকে একটি ক্রুজ মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়। ‘পিএনএস হ্যাংগর’ হলো এই শ্রেণির প্রধান সাবমেরিন এবং আশা করা হচ্ছে যে, এটি শীঘ্রই পাকিস্তান নৌবাহিনীর সক্রিয় পরিষেবায় যুক্ত হবে। এই পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণটিকে সাবমেরিনটি মোতায়েনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। হ্যাঙ্গর-শ্রেণির সাবমেরিনটি ‘এয়ার-ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রপালশন’ (AIP) ব্যবস্থায় সজ্জিত, যা এটিকে দীর্ঘ সময় ধরে জলের নিচে অবস্থান করতে সক্ষম করে তোলে। এর ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে হ্যাঙ্গর-শ্রেণির সাবমেরিন শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

Advertisements

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সংবাদমাধ্যম শাখা, ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) জানিয়েছে যে, গোলাবর্ষণ অনুশীলনের সময় পিএনএস/এম হ্যাঙ্গর (PNS/M HANGOR) দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার উপযোগী একটি জাহাজ-বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। পাকিস্তান নৌবাহিনীর তথ্যমতে, ক্ষেপণাস্ত্রটি সফলভাবে তার নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে, যা সাবমেরিনটির অস্ত্র ব্যবস্থা, যুদ্ধ-প্রস্তুতি এবং পরিচালনগত সক্ষমতার যথার্থতা প্রমাণ করেছে। তবে, পাকিস্তান নৌবাহিনী ও আইএসপিআর (ISPR) উৎক্ষেপণ করা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম প্রকাশ করেনি।

   

পাকিস্তান নৌবাহিনীর প্রধানের সরাসরি গোলাবর্ষণ পর্যবেক্ষণ
পাকিস্তান নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল নাভিদ আশরাফ সমুদ্রে সরাসরি গোলাবর্ষণ (লাইভ ফায়ারিং) পর্যবেক্ষণ করেছেন। তিনি কর্মতৎপরতা ও সক্ষমতা বজায় রাখা এবং শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাকিস্তান নৌবাহিনীর ডুবোজলীয় যুদ্ধক্ষমতা (underwater warfare capabilities) ক্রমাগত জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আইএসপিআর (ISPR)-এর তথ্য অনুযায়ী, এই গোলাবর্ষণ ‘হ্যাংগর’ (HANGOR) শ্রেণির সাবমেরিনকে অন্তর্ভুক্ত ও কার্যকরভাবে মোতায়েন করার পথে আরও একটি পদক্ষেপ। এর ফলে পাকিস্তান নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Advertisements