কালীপুজোয় বিশেষ লোকাল ট্রেন, ২৪ ঘণ্টা খোলা টিকিট কাউন্টার

কলকাতা: কালীপুজো (Kali Puja) আসতেই যাত্রী ভিড় সামলাতে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে পূর্ব রেল। শিয়ালদহ ডিভিশনে পুজোর মরশুমে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও যাত্রী সুরক্ষায় এবার একাধিক…

Indian Railways

কলকাতা: কালীপুজো (Kali Puja) আসতেই যাত্রী ভিড় সামলাতে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে পূর্ব রেল। শিয়ালদহ ডিভিশনে পুজোর মরশুমে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও যাত্রী সুরক্ষায় এবার একাধিক বিশেষ ব্যবস্থা কার্যকর করা হচ্ছে।

Advertisements

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০ অক্টোবর (সোমবার) কালীপুজোর দিন থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যান্ডেল ও নৈহাটি রুটে বিশেষ লোকাল ট্রেন চালানো হবে। এই পাঁচ দিনে শিয়ালদহ ডিভিশনের আওতাধীন সমস্ত ট্রেন প্রতিটি স্টেশনে দাঁড়াবে, কোনও গ্যালোপিং ট্রেন চলবে না। ফলে প্রত্যেক যাত্রী তাঁদের নিকটবর্তী স্টেশন থেকেই ট্রেনে উঠতে পারবেন।

   

তবে, সব স্টেশনে ট্রেন থামানোর কারণে কিছু ট্রেনের দেরি হতে পারে, তা আগে থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, কোনও ট্রেন বাতিল বা রুট পরিবর্তন করতে হলে আগাম ঘোষণা করা হবে, যাতে যাত্রীরা সময়মতো প্রস্তুতি নিতে পারেন।

পূর্ব রেলের শিয়ালদহ ডিভিশনাল ম্যানেজার রাজীব স্যাক্সেনা বলেন, “যাত্রীদের সুরক্ষা আমাদের কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। পুজোর সময় যাত্রীদের সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়, তাই সমস্ত নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আগে থেকেই তৈরি রাখা হয়েছে।”

Advertisements

২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশনের সমস্ত টিকিট কাউন্টার ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। এই সময়ে টিকিট বিক্রির জন্য অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করা হবে। যাত্রীদের সুবিধার জন্য স্টেশনের বাইরের পার্কিং এরিয়ার ৩০০ বর্গমিটার এলাকা শেড দিয়ে ঢেকে হোল্ডিং এরিয়া হিসেবে ব্যবহার করা হবে। সেখানে যাত্রীরা অপেক্ষা করতে পারবেন যাতে প্ল্যাটফর্মে অতিরিক্ত ভিড় না হয়।

রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দমদম, বারাসত, নৈহাটি এবং বিধাননগর রোড স্টেশনে বিশেষ নজরদারি দল থাকবে। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সিসিটিভি মনিটরিং, অতিরিক্ত পুলিশ এবং রেলকর্মী মোতায়েন করা হবে।

রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, যদি কোনও ট্রেনের ঘোষিত প্ল্যাটফর্ম পরিবর্তন করতে হয়, তাহলে অন্তত ১৫–২০ মিনিট আগে অ্যানাউন্সমেন্ট করে যাত্রীদের জানানো হবে। এতে হুড়োহুড়ি ও বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব হবে।

কালীপুজোর সময় যাত্রীদের নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে রেলের এই পদক্ষেপে সাধারণ মানুষ স্বস্তি পেয়েছেন। শহর ও শহরতলির যাত্রীরা আশা করছেন, এই ব্যবস্থায় পুজোর দিনগুলোতে যাত্রা হবে আরও সুরক্ষিত ও আরামদায়ক।

Advertisements