ডুরান্ডের শেষ চারে Mohun Bagan, পড়শীদের খোঁচা দিয়ে কী বললেন দেবাশিস দত্ত?

সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: ধীরে ধীরে সময় বদলায়, টুর্নামেন্ট বদলায় তবে বিশাল কাইথের উপর ভরসা থেকে যায়। সার্জিও লোবেরার পর বর্তমানে মোহনবাগানের (Mohun Bagan) দায়িত্ব সামলাচ্ছেন…

mohun-bagan-durand-cup-semi-final-debashis-dutta-neighbour-club

সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: ধীরে ধীরে সময় বদলায়, টুর্নামেন্ট বদলায় তবে বিশাল কাইথের উপর ভরসা থেকে যায়। সার্জিও লোবেরার পর বর্তমানে মোহনবাগানের (Mohun Bagan) দায়িত্ব সামলাচ্ছেন প্যানাগিওটিস ডিলমপেরিস। সময়ের সাথে সাথে দলের কোচ বদল হলেও একই রয়েছে বিশালের প্রতি আস্থা। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এদিন বিকেলে সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নেমেছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল জামশেদপুর এফসি। নির্ধারিত সময়ের শেষে অমীমাংসিত ফলাফল থাকলেও শেষ পর্যন্ত সাডেন ডেথে বাজিমাত করে সবুজ-মেরুন।

Advertisements

৯-৮ ব্যবধানে সেমিফাইনালের টিকিট ছিনিয়ে নেয় মেরিনার্সরা। ডুরান্ডের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের পর টাইব্রেকারে গড়ায় ম্যাচ। কিন্তু সেখানেও থাকে অমীমাংসিত ফলাফল। ৫-৫ ফলাফল থাকায় স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচ চলে গিয়েছিল সাডেন ডেথে। শেষ পর্যন্ত সেখানেই দুরন্ত সেভ দেন বিশাল। তারপর অভিষেকের শট জালে জড়াতেই জয় সুনিশ্চিত হয়ে যায় মোহনবাগানের। এবার শেষ চারের লড়াই। বলাবাহুল্য, এটিই ছিল জামশেদপুর এফসির ইতিহাসে শেষ ম্যাচ। মোহনবাগানের কাছে হেরেই ডুরান্ডের পাশাপাশি ভারতীয় ক্লাব ফুটবলে যাত্রা শেষ করল ইস্পাত নগরীর এই ফুটবল দল।

   

Also Read | খালি পায়ে ইতিহাস, ১১৫ বছর পরেও অমর মোহনবাগান দিবসের গৌরব

ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাগান সভাপতি দেবাশিস দত্ত বলেন, ‘ আমরা খারাপ খেলেছি বলেই টাইব্রেকার অব্দি আমাদের যেতে হয়েছিল। তবে টাইব্রেকার যেভাবে হল আমার এত দিনের অভিজ্ঞতায় টানা নটা পর পর গোল হয়েই যাচ্ছে এটা অবিশ্বাস্য। তবে রেফারি তিনখানা পেনাল্টি দেয়নি। ওয়ান পয়েন্ট প্রোগ্রাম নিয়ে নিয়েছে। এখন আমাদের আবার পাঠাচ্ছে বাইরে যেমন দেখবেন ভালো স্টুডেন্টের বাবা মা ভালো ছেলে মেয়েদের যেমন বিদেশে পড়তে পাঠায়, আর খারাপকে বাড়িতে রেখে দেয়। আমাদের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে, আমাদেরকে বাইরে পাঠানো হচ্ছে। আর যারা কমজোরি তাদেরকে শহরে রাখছে।’

Advertisements

নাম না করে পড়শী ক্লাবকে খোঁচা দেওয়ার পাশাপাশি আরও বলেন, ‘আমাদের লড়াই করে জিতে আসতে হবে। তারপর কলকাতায় এসে ফাইনাল খেলতে পারব।’

Advertisements