কেন ক্যারিশমায় শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ড, মন কাড়ল কঙ্গো

প্রথমে পিছিয়ে পড়েও হ্যারি কেনের জোড়া গোলে ডিআর কঙ্গোকে ২-১ হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় উঠল ইংল্যান্ড। এবার প্রতিপক্ষ মেক্সিকো।

england-vs-dr-congo-fifa-world-cup-2026-harry-kane-brace

সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা ডেস্ক: বিশ্বকাপে ((FIFA World Cup) ) রুদ্ধশ্বাস জয় ছিনিয়ে নিল ইংল্যান্ড। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বুধবার রাতে রাউন্ড অফ থার্টি টুয়ের ম্যাচে নেমেছিল একবারের বিশ্বজয়ীরা। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল ডিআর কঙ্গো দল। সম্পূর্ণ সময় শেষে ২-১ গোলের ব্যবধানে এই ম্যাচ জয় ছিনিয়ে নিয়েছে ব্রিটিশরা। জোড়া গোল করলেন হ্যারিকেন‌। অন্যদিকে, কঙ্গোর হয়ে গোল করে একটা সময় দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ব্রায়ান সিপেঙ্গা। যদিও শেষ পর্যন্ত ব্যবধান ধরে রাখতে পারেনি এই ফুটবল দল। বাজিমাত করে যায় টমাস টুখেলের ছেলেরা।

Advertisements

তবে লড়াইটা এতটা সহজ ছিল না। খাতায় কলমে ইংল্যান্ডের থেকে বঙ্গ পিছিয়ে থাকলেও ম্যাচের শুরু থেকে দেখা গিয়েছিল অন্য ছবি। কঙ্গোর ফুটবলারদের ঘন ঘন আক্রমণে কার্যত নাজেহাল হয়ে পড়ছিল জুড বেলিংহাম থেকে শুরু করে ডেকলান রাইসরা। স্বাভাবিকভাবেই গোল তুলে নিতে খুব একটা অসুবিধে হয়নি। প্রথম কোয়ার্টারের ৭ মিনিটের মাথায় মাঙ্গুলুর অ্যাসিস্ট থেকে ব্রায়ানের গোলে এগিয়ে যায় কঙ্গো শিবির। ম্যাচের শুরুতেই এই গোল হজম নিঃসন্দেহে বড়সড় ধাক্কা ছিল ইংল্যান্ড শিবিরে। তারপর সময় যত এগিয়েছে ম্যাচের দখল ততই নিজেদের দিকে টেনেছে কঙ্গো। সুযোগ বুঝে ইংল্যান্ড আক্রমণে উঠে আসলেও অনবদ্য ডিফেন্সে আটকে যেতে হয়েছিল তাদের।

   

যারফলে প্রথমার্ধের শেষে ১-০ গোলে এগিয়েছিল কঙ্গো দল। অনেকেই মনে করেছিল যে কাম ব্যাক করা হয়তো অনেকটাই কঠিন হয়ে যাবে‌ রাশফোর্ডদের কাছে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ও যথেষ্ট দাপটের সাথে খেলতে দেখা গিয়েছিল প্রতিপক্ষ শিবিরকে। ব্রিটিশ ফুটবলারদের পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে বারংবার দুই উইং থেকে উঠে আসছিলেন নাথানায়েল মবুকুর পাশাপাশি সিপেঙ্গা ও উইসার মতো ফুটবলাররা। অবশেষে ৭৬ মিনিটের মাথায় সমতাসূচক গোল পায় ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৬০ মিনিটে বিকল্প হিসেবে মাঠে আসা অ্যান্টনি গর্ডনের অ্যাসিস্ট থেকে গোল করে যান তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেন। ফলাফল গিয়ে দাঁড়ায় ১-১ গোল।

এই গোল হজম করার পরেও নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলা চালিয়ে যায় কঙ্গো শিবির। কিন্তু কয়েক মুহূর্তের অসাবধানতা বদলে দেয় গোটা পরিস্থিতি। ৮৬ মিনিটের মাথায় ফের গর্ডনের অ্যাসিস্ট থেকে বল নিয়ে প্রতিপক্ষের ডিবক্সে ঢুকে পড়েছিলেন হ্যারিকেন। অ্যাক্সেল তুয়ানজেবে থেকে শুরু করে বিসাকার মতো ফুটবলারদেরকে স্কিলে টেক্কা দিয়ে গোলমুখী শট নেন কেন। ক্রসবার থেকে অনায়াসেই বল চলে যায় গোলের মধ্যে। তারপর আর বদলায়নি ম্যাচের ফলাফল।

Advertisements
Advertisements