সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: আজ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব (East Bengal FC)। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ ছিল ইন্ডিয়ান আর্মি দল। সম্পূর্ণ সময়ের শেষে ১-০ গোলের ব্যবধানে এই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিল ময়দানের এই প্রধান। দলের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন পিভি বিষ্ণু। যদিও এই ম্যাচ জুড়ে একাধিক সহজ সুযোগ তৈরি করেছিল লাল-হলুদ ফুটবলাররা। তবে সেগুলি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। নাহলে অনায়াসেই বাড়তে পারত জয়ের ব্যবধান। অপরদিকে সুযোগ বুঝেই পাল্টা আক্রমণ শানাতে দেখা গিয়েছিল প্রতিপক্ষের ফুটবলারদের।
ইংরেজিতে পড়ুন: Vishnu Header Sends East Bengal FC Into Durand Cup Semifinals
তবে গোলরক্ষক ফূর্বা লাচেনপার সক্রিয়তার বিপদ ঘটেনি। এছাড়াও ম্যাচের অন্তিম কোয়ার্টারের দিকে আর্মির ফুটবলারকে আটকে দিয়েছিলেন লাচেনপা যারফলে পেনাল্টির দাবি ও উঠেছিল প্রতিপক্ষের ফুটবলারদের পাশাপাশি কোচের তরফে। যদিও শেষ পর্যন্ত তা নাকোচ করে দেন ম্যাচ রেফারি। উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগেই এএফসির গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় পেয়েছিল দল। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই এদিন যথেষ্ট চনমনে মেজাজে ম্যাচ শুরু করেছিলেন বিপিন সিং থেকে শুরু করে মহম্মদ রশিদরা। তবে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকের হাতে আটকে যেতে হচ্ছিল বারংবার।
অবশেষে ৩৯ মিনিটের মাথায় আসে সেই বহু প্রতীক্ষিত গোল। ইন্ডিয়ান আর্মির রক্ষণভাগে হানা দিয়ে দুরন্ত ক্রস তোলেন লাল-হলুদের নয়া বিদেশি ফুটবলার ক্রিস ইকনোমিডিস। সেখান থেকেই হেডে গোল করে যান বিষ্ণু। আর্মি দলের গোলরক্ষক আটকানোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনায়াসেই বল চলে গিয়েছিল গোলের মধ্যে। প্রথমার্ধের শেষে ১-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে থাকে ইস্টবেঙ্গল। তারপর দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে ও প্রতিপক্ষের গোল পোস্ট লক্ষ্য করে একের পর এক শট নেন দানি রামিরেজ থেকে শুরু করে বিপিন সিংরা। কিন্তু বল লক্ষ্যে থাকেনি। এসবের মাঝেই ৫৮ মিনিটে ডেভিড, ইকোনোমিডিস এর বদলে জেসিন, এডমুন্ড লালরিন্ডিকাকে মাঠে এনেছিলেন আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।
জেসিন টিকে একবার গোলের সুযোগ পেলে ও শট রাখেন শেষ পর্যন্ত সাইড নেটে। তারপর ৮২ মিনিটে রোহিকে সরিয়ে মাঠে আসেন জিকসন সিং। তবে শেষের দিকে আর্মি দলের ফুটবলাররা বারংবার আক্রমণে উঠে আসলেও গোলের মুখ খোলা সম্ভব হয়নি।
