গোহারা হেরেই হাতে গেরুয়া ঝান্ডা ধরলেন বারাসাতের সব্যসাচী

কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ: গোহারা হেরেই হাতে গেরুয়া ঝান্ডা ধরলেন বারাসাতের সব্যসাচী (Sabyasachi Dutta)। বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের পর বারাসাতের তৃণমূল প্রার্থী সব্যসাচী দত্তের অপ্রত্যাশিত পদক্ষেপে…

sabyasachi-dutta-bjp-switch-after-defeat-barasat

কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ: গোহারা হেরেই হাতে গেরুয়া ঝান্ডা ধরলেন বারাসাতের সব্যসাচী (Sabyasachi Dutta)। বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের পর বারাসাতের তৃণমূল প্রার্থী সব্যসাচী দত্তের অপ্রত্যাশিত পদক্ষেপে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পরই সব্যসাচী তাঁর কাছে এসেছিলেন। আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য হল, খড়গপুর সদরের তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকার মাত্র দু’ঘণ্টার মধ্যে তিনি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি ও প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষকে ফোন করে সাহায্য চেয়েছেন।

Advertisements

   

শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বারাসাতের প্রার্থী আমার কাছে এসেছিলেন। এখন তিনি গেরুয়া ঝান্ডা হাতে ধরেছেন। শমীক আরো বলেন খড়গপুর সদরের তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকার দিলীপ ঘোষকে ফোন করে সাহায্য চেয়েছিলেন। রাতে ফোন করে প্রদীপ দিলীপকে বলেন তার কার্যালয়ে ককজন আক্রমণ করেছে। দিলীপ ঘোষ বলেন যারা আক্রমণ করেছেন তারা তৃণমূলেরই। শমীক এই ঘটনার উদাহরণ দিয়েই বলেন তৃণমূলই তৃণমূলকে মারছে।

আরও দেখুনঃ বাংলার মাটিতে কমল ফুটতেই অ্যাম্বুলেন্সে চেপে পালালেন কমল-পুত্র

শমীক ভট্টাচার্যের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। যে দলের হয়ে লড়াই করে হেরেছেন, সেই দলেরই লোকেরা যদি তাঁর অফিসে হামলা করে, তাহলে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল কতটা গভীর, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। খড়গপুরের স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, ভোটের পর থেকেই উত্তেজনা ছড়াচ্ছিল। বিশেষ করে তৃণমূলের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে পুরনো আভ্যন্তরীণ বিরোধ এবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

Advertisements

বিজেপি শিবির অবশ্য এই ঘটনাকে তৃণমূলের ‘ভাঙনের শুরু’ হিসেবে দেখছে। শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, “যাঁরা এতদিন তৃণমূলের অত্যাচার দেখেছেন, তাঁরা এখন বুঝতে পারছেন কোন দলে থাকলে শান্তি পাবেন।” বারাসাতের মানুষ এবং রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে যারা একসময় তৃণমূলের হয়ে গলা ফাটাচ্ছিল তারাই এখন তৃণমূল হারতেই গেরুয়া ঝান্ডা তুলে নিয়েছে।

Advertisements