কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে শিল্প বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা।( Sanjiv Goenka) আরপি-সঞ্জীব গোয়েনকা গ্রুপের চেয়ারম্যান সঞ্জীব গোয়েঙ্কা রাজ্যের শিল্প পরিবেশ নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন।এছাড়াও বাংলার শিল্পে ২৫০০০ কোটি বিনিয়োগের ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন তিনি। ভারতের অন্যতম পুরনো ব্যবসায়িক পরিবারগুলোর মধ্যে গোয়েনকা পরিবারের ইতিহাস প্রায় ২২০ বছরের পুরনো।
এই পরিবার দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে যুক্ত এবং রাজ্যে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করে এসেছে।সঞ্জীব গোয়েঙ্কা ( Sanjiv Goenka)সম্প্রতি রাজ্যের শিল্প পরিবেশের উন্নতির কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, দ্রুত অনুমোদন প্রক্রিয়া, উন্নত পরিকাঠামো এবং নীতিগত স্থিতিশীলতা শিল্পপতিদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও বিনিয়োগকারীদের কাছে রাজ্যের সম্ভাবনা তুলে ধরেছেন।
আরও দেখুনঃ পশ্চিমবঙ্গে ১৮ টি অব্যবহৃত শিল্প পার্কের জমি নিয়ে ডেটা সেন্টারের লক্ষে এগোচ্ছে রাজ্য সরকার
তিনি নীতি সংস্কার ও জমি সংক্রান্ত সংস্কারের মাধ্যমে শিল্প স্থাপনে সুবিধা তৈরির কথা বলেছেন। ব্যবসায়ীদের রাজ্যের বিপুল সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।গোয়েঙ্কা গ্রুপ আগেও রাজ্যে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে। বিদ্যুৎ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে তাদের উপস্থিতি রয়েছে। নবায়নযোগ্য শক্তি ও ব্যাটারি স্টোরেজের মতো আধুনিক খাতেও তারা আগ্রহ দেখিয়েছে।
রাজ্য সরকারের নতুন উদ্যোগগুলো শিল্প বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। জমি নীতি সহজ করা, অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত করা এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এতে বহুদিন ধরে অপেক্ষমাণ বিনিয়োগকারীরা আবার রাজ্যের দিকে তাকাতে শুরু করেছেন।পশ্চিমবঙ্গে শিল্প পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা দীর্ঘদিন ধরে চলছে। অতীতে বিভিন্ন কারণে বিনিয়োগে ধীরগতি দেখা গিয়েছিল।
এখন নতুন সরকার শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরির দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নীতির ধারাবাহিকতা বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সঞ্জীব গোয়েঙ্কার ( Sanjiv Goenka)মত প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীরা যখন রাজ্যের পরিবেশ নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেন, তখন তা অন্যান্য বিনিয়োগকারীদেরও উৎসাহিত করে।
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জমি সংস্কার ও নীতিগত স্থিতিশীলতা শিল্প স্থাপনে বড় বাধা দূর করবে। অনেক শিল্প পার্কে অব্যবহৃত জমি রয়েছে। সেগুলোকে কাজে লাগিয়ে নতুন প্রকল্প আনা সম্ভব। বিদ্যুৎ সরবরাহ, সড়ক যোগাযোগ ও অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নের কাজও চলছে। এসব পদক্ষেপ একসঙ্গে কাজ করলে রাজ্যে নতুন বিনিয়োগ চক্র শুরু হতে পারে।
