‘তৃণমূল তুমি কার?’ ঘড়ির কাঁটায় নজর, অপেক্ষা সোমবার বিকেলের

আর মাত্র একদিনের অপেক্ষা। তারপরই জাতীয় নির্বাচন কমিশনে (Election Commission of India) শুরু হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি ও যাচাই…

eci-demands-documents-from-rival-tmc-groups-identity-battle-intensifies

আর মাত্র একদিনের অপেক্ষা। তারপরই জাতীয় নির্বাচন কমিশনে (Election Commission of India) শুরু হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি ও যাচাই প্রক্রিয়া। (ECI-TMC Split) কে ‘আসল তৃণমূল’, সেই প্রশ্ন ঘিরে মমতা-পন্থী ও ঋতব্রত-পন্থী দুই শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক লড়াই এখন চরমে। দুই পক্ষই ইতিমধ্যেই নিজেদের দাবিকে প্রতিষ্ঠিত করতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।

Advertisements

কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, (ECI-TMC Split) দুই পক্ষকেই নিজেদের দাবির সমর্থনে লিখিত ব্যাখ্যা, দলীয় কাঠামো সংক্রান্ত নথি এবং সাংগঠনিক বৈধতার প্রমাণ জমা দিতে বলা হয়েছে। সেই নথি জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হচ্ছে আগামীকাল, ৬ জুলাই বিকেল সাড়ে পাঁচটায়। এই সময়সীমা পেরোনোর পরই পরবর্তী আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু করবে কমিশন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, মমতা-পন্থী তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, (ECI-TMC Split) দলের সিনিয়র আইনজীবী ও সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আজই দিল্লি রওনা দিচ্ছেন। তিনি আগামীকাল কমিশনের দফতরে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেবেন। তবে আলাদা করে কোনও বড় প্রতিনিধি দল পাঠানো হচ্ছে না বলেই জানা গিয়েছে। শুধুমাত্র নির্ধারিত নথিপত্র জমা দেওয়ার উপরই গুরুত্ব দিচ্ছে এই শিবির।

   

অন্যদিকে, (ECI-TMC Split) ঋতব্রত-পন্থী তৃণমূলের অবস্থান কিছুটা ভিন্ন। সূত্রের দাবি, তারা ইতিমধ্যেই বিধানসভায় নিজেদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার দাবি সংক্রান্ত নথি জমা দিয়েছে এবং নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বলে জানিয়েছে। তবে তারা কমিশনে সরাসরি প্রতিনিধি পাঠাবে কি না, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে (ECI-TMC Split) দুই শিবিরই নিজেদের আইনি অবস্থান শক্ত করতে আইনজীবীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে আলোচনা শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচন কমিশনের সামনে এই ধরনের সাংগঠনিক দ্বন্দ্ব অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়, যেখানে দলীয় গঠন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অবস্থান এবং সাংগঠনিক স্বীকৃতি—সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Advertisements

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, (ECI-TMC Split) নথি জমা পড়ার পর তা বিস্তারিতভাবে যাচাই করা হবে। এরপর দুই পক্ষকেই শুনানির জন্য ডাকা হতে পারে। সেই শুনানিতে উভয় শিবিরই নিজেদের আইনজীবীদের সঙ্গে উপস্থিত থাকতে পারবে এবং নিজেদের যুক্তি তুলে ধরতে পারবে।

Advertisements