গুরুগাঁও: কেটিএম ইন্ডিয়া তাদের ৩৯০ অ্যাডভেঞ্চার (KTM 390 Adventure) মডেলে ছোটখাটো আপডেট আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। লঞ্চের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও না হলেও নতুন গ্রাফিক্স-সহ মোটরসাইকেলটি ইতিমধ্যেই কিছু শোরুমে পৌঁছতে শুরু করেছে। তবে পরিবর্তন আপাতত শুধু ডিজাইনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। চলতি বছরের শুরুতে ৩৫০ সিসি ইঞ্জিন আপডেটের সময় যে যান্ত্রিক পরিবর্তন আনা হয়েছিল, সেখানে নতুন মডেলে কোনও বদল করা হয়নি।
নতুন গ্রাফিক্সে কী বদলেছে?
শোরুমে দেখা নতুন মডেলটি আগের সেরামিক হোয়াইট রঙেই রয়েছে। তবে গ্রাফিক্সের ডিজাইনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমান সেরামিক হোয়াইট সংস্করণে বড় ‘কেটিএম’ এবং ‘৩৯০’ লেখার পিছনে কমলা রঙের ব্যাকগ্রাউন্ড রয়েছে। সেখানে ‘৩৯০’ তুলনামূলক ছোট আকারে লেখা এবং তার নিচে বড় করে ‘কেটিএম’ লোগো থাকে। নতুন সংস্করণে সেই ব্র্যান্ডিংয়ের পিছনের ব্যাকগ্রাউন্ড ধূসর করা হয়েছে। ‘কেটিএম’ লেখাটিও তুলনামূলক ছোট এবং উপরের দিকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ‘৩৯০’-এর সঙ্গে এবার ‘অ্যাডভেঞ্চার’ লেখা যোগ হয়েছে। ফলে আগের তুলনায় নতুন গ্রাফিক্স অনেকটাই কম চটকদার এবং বেশি পরিশীলিত দেখাচ্ছে।
ইলেকট্রনিক অরেঞ্জ রঙের বিকল্পটিও আগের মতোই থাকতে পারে। তবে সেই রঙেও একই গ্রাফিক্স পরিবর্তন করা হবে কি না, তা এখনও পরিষ্কার নয়। এটি নতুন রঙের বিকল্প, নাকি বর্তমান সেরামিক হোয়াইট মডেলে চলতি আপডেট, সেটিও কেটিএম এখনও নিশ্চিত করেনি।
ইঞ্জিনে কোনও পরিবর্তন নেই
নতুন গ্রাফিক্স ছাড়া কেটিএম ৩৯০ অ্যাডভেঞ্চারের যান্ত্রিক প্যাকেজ অপরিবর্তিত থাকছে। বাইকটিতে রয়েছে ৩৪৯.৩২ সিসি, লিকুইড-কুলড, সিঙ্গল-সিলিন্ডার ডিওএইচসি ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন থেকে সর্বোচ্চ ৪১.৫ পিএস শক্তি এবং ৩৩.৫ এনএম টর্ক পাওয়া যায়। ইঞ্জিনের সঙ্গে রয়েছে:
- ৬-স্পিড গিয়ারবক্স
- স্লিপার ক্লাচ
- ইলেকট্রনিক থ্রটল
- দ্বিমুখী কুইকশিফটার
অর্থাৎ নতুন গ্রাফিক্সের আপডেটের ফলে বাইকের পারফরম্যান্সে কোনও পরিবর্তন আসছে না।
ফিচারেও বড় বদল নেই
কেটিএম ৩৯০ অ্যাডভেঞ্চারে আগের মতোই ১৯ ইঞ্চির সামনের এবং ১৭ ইঞ্চির পিছনের অ্যালয় চাকা রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে উঁচু উইন্ডস্ক্রিন, টিএফটি ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টার, ক্রুজ কন্ট্রোল-সহ একাধিক আধুনিক ফিচার। ৩৯০ অ্যাডভেঞ্চার এস এবং এক্স সংস্করণে থাকা বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ধারাও বজায় রাখা হয়েছে।
দাম কত?
২০২৬ কেটিএম ৩৯০ অ্যাডভেঞ্চারের দাম বর্তমানে প্রায় ২.৮১ লক্ষ টাকা, এক্স-শোরুম থেকে শুরু। ৩৫০ সিসির নিচের মোটরসাইকেলের জন্য প্রযোজ্য ১৮ শতাংশ জিএসটি কাঠামোর সুবিধাও মডেলটি পাচ্ছে।
নতুন গ্রাফিক্সের মাধ্যমে কেটিএম মূলত বাইকটির চেহারায় সতেজতা আনতে চাইছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যান্ত্রিক পরিবর্তন না থাকায় রয়্যাল এনফিল্ড হিমালয়ান ৪৫০ এবং বিএমডব্লিউ জি ৩১০ জিএস-এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে এর অবস্থানেও বড় কোনও পরিবর্তন হওয়ার কথা নয়। নতুন গ্রাফিক্স এবং সম্ভাব্য নতুন রঙের বিষয়ে কেটিএমের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা খুব শীঘ্রই আসতে পারে।
Also Read | সন্ত্রাসবাদ অর্থায়নে ফের নজরে বাংলা! কালিকাপুরের মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার ৪০লক্ষ নগদ-১৮০ গ্রামের সোনার মুদ্রা
Also Read | পরের স্টেশন মোহনবাগান! মাঠের গণ্ডি ছাড়িয়ে মেট্রোর মানচিত্রে শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাব
Also Read | কংগ্রেসের কারণে কলকাতা ছাড়েন তসলিমা! বিস্ফোরক তৎকালীন শরিক সিপিএম নেতা
Also Read | IRCTC-এর ৯ দিনের তীর্থযাত্রা ট্রেন: জ্যোতির্লিঙ্গ থেকে দ্বারকা-অক্ষরধাম, ভাড়া ও রুট জানুন
Also Read | মিরিক লেককে আরও সুন্দর করতে ১০০কোটির পর্যটন প্রকল্প শুভেন্দু সরকারের
