ঢাকা: একদিকে রাজধানী দিল্লি থেকে প্রথম প্রকাশ্যে এসে বক্তৃতা দিলেন শেখ হাসিনা (Shakib Al Hasan)। অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ক ও মাগুরা-১ আসনের প্রাক্তন আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের পৈতৃক বাড়িতে পেট্রোল বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে মাগুরা শহরের কেশবমোড় এলাকায় তাঁর বাড়িতে এই হামলা হয়। বাড়িটি ভাঙচুরও করা হয়।প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রের খবর, একদল দুষ্কৃতী বাড়ির দিকে ইট-পাটকেল ছুড়ে জানালার কাচ ভেঙে দেয়।
এরপর প্রধান ফটকের কাছে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরানোর চেষ্টা করে। সামান্য আগুন জ্বললেও তা দ্রুত নিভে যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে নিরাপত্তা জোরদার করেছে।মাগুরা সদর থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, হামলাকারীদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হয়নি। বাড়ির চারপাশে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারে তদন্ত চলছে।
আরও দেখুনঃ
এই ঘটনা ঘটেছে শেখ হাসিনার (Shakib Al Hasan)সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টা পর। বুধবার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়ায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি ভাষণ দেন। সেই অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়েছিলেন সাকিব আল হাসানও। তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং মাগুরা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।সাকিবের বাড়িতে হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়।
অনেকে এটিকে হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছেন। তবে পুলিশ এখনো হামলার উদ্দেশ্য বা কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করেনি। তদন্ত চলছে।সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সফল খেলোয়াড়। জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব করেছেন এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় সাফল্য অর্জন করেছেন। পরে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য হন।
২০২৪ সালের রাজনৈতিক (Shakib Al Hasan)পরিবর্তনের পর তাঁর অবস্থান নিয়েও আলোচনা হয়েছে।মাগুরায় এই হামলার ঘটনা স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বাসিন্দারা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। পুলিশ জানিয়েছে, এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে এবং সন্দেহভাজনদের খোঁজ চলছে। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
আরও দেখুনঃ
শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন নিয়ে তাঁর অবস্থান তুলে ধরা হয়। তিনি দাবি করেন, আন্দোলনকে সংগঠিত গোষ্ঠী ছিনতাই করেছিল। সেই প্রেক্ষাপটে সাকিবের বাড়িতে হামলার ঘটনা রাজনৈতিক উত্তেজনার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে অনেকে মনে করছেন। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দল বা ব্যক্তি দায় স্বীকার করেনি।
