‘ভারতকে হারাতে সেনা প্রয়োজন নেই!’ বিস্ফোরক বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনা প্রধান

ঢাকা: বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনা কর্নেল (hasinur rahman) হাসিনুর রহমান একটি বিস্ফোরক বক্তব্য দিয়ে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছেন। তিনি দাবি করেছেন,…

hasinur-rahman-remarks-on-india

ঢাকা: বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনা কর্নেল (hasinur rahman) হাসিনুর রহমান একটি বিস্ফোরক বক্তব্য দিয়ে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, “বাংলাদেশের সেনাবাহিনীরও প্রয়োজন নেই ভারতের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। সাধারণ নাগরিকরাই যথেষ্ট। পশ্চিম দিনাজপুর, মালদা ও মুর্শিদাবাদ টেনে নিলেই ভারতীয়রা পালাতে বাধ্য হবে।

Advertisements

অসমের মুসলমানরাও আমাদের সঙ্গে আছে।” এই বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ার পর উত্তর-পূর্ব ভারত ও বাংলাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।কর্নেল হাসিনুর রহমানের এই মন্তব্যকে অনেকেই দায়িত্বজ্ঞানহীন ও উস্কানিমূলক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে ভারতের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোকে টার্গেট করে কথা বলেছেন, যেখানে হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিতে বসবাস করেন।

   

আরও দেখুনঃ ‘এমন নৃশংস গণহত্যা চালাব যে গোটা বিশ্ব দেখবে!’ বাংলাদেশে হুমকি ইসলামপন্থীদের

বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মালদা, মুর্শিদাবাদ ও দিনাজপুর এলাকায় এই বক্তব্য গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই বক্তব্যের পর ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যে, বিশেষ করে অসম ও পশ্চিমবঙ্গে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। রাজনৈতিক নেতারা এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি বর্তমানে অস্থির। শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর ধর্মীয় উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা বেড়েছে।

হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর হামলা, মন্দির ভাঙচুর এবং আল-কায়দা-আইএসআইএসের পতাকা নিয়ে মিছিলের ঘটনা ইতিমধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এর মধ্যে প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তার এই ধরনের যুদ্ধংদেহী বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। অসমের স্থানীয় মুসলিম নেতারাও এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁরা বলছেন, “আমরা ভারতীয় নাগরিক।

Advertisements

এখানে শান্তিতে বাস করি। কোনো বিদেশি শক্তির এজেন্ডায় আমরা নেই।”সাধারণ বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যেও অনেকে এই বক্তব্যে অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন। একজন ঢাকার বাসিন্দা বলেন, “আমরা যুদ্ধ চাই না। দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক ভালো থাকুক। এসব উস্কানি কেবল রাজনৈতিক স্বার্থে দেওয়া হয়।” তবে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলো এই বক্তব্যকে সমর্থন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালাচ্ছে।

Advertisements