ঢাকা: কুমিল্লা জেলার এক কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান সুহাইল। (gravity electricity)সম্প্রতি এক অভিনব দাবি নিয়ে তিনি আলোচনায় এসেছেন। তিনি বলছেন, মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি যন্ত্র তিনি উদ্ভাবন করেছেন। এই যন্ত্র চালাতে কোনো তেল বা গ্যাসের প্রয়োজন নেই। কোরআন ও হাদিস নিয়ে গবেষণা করেই তিনি এই ধারণা পেয়েছেন বলে দাবি করেন সুহাইল।
সুহাইল কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বাসিন্দা। (gravity electricity)কওমি মাদ্রাসার পাঠ্যসূচিতে বিজ্ঞানের আলাদা গুরুত্ব না থাকলেও ছোটবেলা থেকেই তিনি বিজ্ঞান বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন। নিজের চেষ্টায় পড়াশোনা ও গবেষণা চালিয়ে যান। ২০২২ সালে এই ধারণা মাথায় আসে। এরপর প্রায় দুই বছর ধরে তিনি বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে একটি প্রোটোটাইপ তৈরি করেন। গবেষণার খরচ চালাতে তাকে দিনমজুরের কাজও করতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আরও দেখুনঃ টানাপড়েন ভুলে নয়া সমীকরণ! ব্রিকসের আগেই মোদী-তারেক বৈঠক?
তার দাবি অনুযায়ী, যন্ত্রটিতে ভারী বস্তুকে নিচের দিকে ছেড়ে দিয়ে ক্রেন বা শ্যাফট ঘোরানো হবে। এই ঘূর্ণন থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে। সবচেয়ে বিস্ময়কর দিক হিসেবে তিনি বলেন, যে ভারী বস্তু নিচে নামবে সেটি উল্টোপাশে গিয়ে হালকা হয়ে যাবে। এভাবে চক্রাকারে ঘুরতে ঘুরতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ তৈরি হবে। কোনো জ্বালানি ছাড়াই এটি চলবে বলে তিনি দাবি করেন।সুহাইল জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তার উদ্ভাবনের কথা তুলে ধরেছেন।
তিনি বলেন, তেল-গ্যাস একদিন শেষ হয়ে যাবে। (gravity electricity)তাই এমন একটি পদ্ধতি দরকার যা চিরকাল চলতে পারে এবং সর্বত্র পাওয়া যায়। কোরআন তেলাওয়াত ও সৃষ্টির রহস্য নিয়ে চিন্তা করতে গিয়ে এই আইডিয়া তার মাথায় আসে। হাদিসের আলোকেও তিনি গবেষণা করেছেন বলে জানান।ইতিমধ্যে তিনি সরকারের বিভিন্ন দফতরে তার আবিষ্কার তুলে ধরেছেন।
আরও দেখুনঃ তীব্র বিদ্যুৎ সঙ্কটে নাজেহাল বাংলাদেশ, কেন এই পরিস্থিতি?
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন এবং লিখিত প্রস্তাব জমা দিয়েছেন। তিনি চান সরকারি উদ্যোগে এর কার্যকারিতা যাচাই করা হোক এবং সফল হলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পেটেন্ট নেওয়া হোক। একটি স্বাধীন বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
