অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে এক বছরের শুট অ্যাট সাইট অর্ডারের দাবি অর্জুনের

ব্যারাকপুর: সীমান্তে অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে বিএসএফ-কে এক বছরের জন্য ‘শুট অ্যাট সাইট’ অর্ডার দেওয়ার দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং (Arjun Singh)। তিনি বলেছেন, “অনুপ্রবেশকারীদের…

arjun-singh-shoot-at-sight-order-infiltration-bsf

ব্যারাকপুর: সীমান্তে অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে বিএসএফ-কে এক বছরের জন্য ‘শুট অ্যাট সাইট’ অর্ডার দেওয়ার দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং (Arjun Singh)। তিনি বলেছেন, “অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করো এবং শেষ করে দাও। তারা শুধু এই ভাষাই বোঝে।” বাংলায় অনুপ্রবেশের সমস্যা ক্রমশ গুরুতর আকার ধারণ করায় অর্জুন সিংয়ের এই কড়া বক্তব্য রাজ্যজুড়ে তীব্র আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

Advertisements


বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং সম্প্রতি একটি জনসভায় বলেন, “বাংলার সীমান্তে অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হলে বিএসএফ-কে এক বছরের জন্য শুট অ্যাট সাইট অর্ডার দিতে হবে। তাদের খুঁজে বের করতে হবে এবং শেষ করে দিতে হবে। তারা শুধু এই ভাষাই বোঝে। নরম নীতিতে কোনও কাজ হয় না।” তাঁর এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ দেখা গেলেও বিরোধী শিবিরে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।

   

আরও দেখুনঃ ইস্তফা না দিয়ে মমতাকে দিল্লির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পরামর্শ বাংলাদেশের জামাত নেতার

অর্জুন সিংয়ের যুক্তি, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ চলছে। এতে রাজ্যের জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়ছে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটছে। তিনি বলেন, “সীমান্তের গ্রামগুলোতে মানুষ আর শান্তিতে থাকতে পারছে না। প্রতিদিন নতুন নতুন মুখ আসছে। বিএসএফ-কে কড়া হাতে কাজ করতে দিতে হবে। নইলে সমস্যা সমাধান হবে না।”স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এই দাবির মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস এই দাবিকে ‘মানবাধিকার বিরোধী’ ও ‘উস্কানিমূলক’ বলে নিন্দা করেছে। এক তৃণমূল নেতা বলেন, “এটা তো গণহত্যার ডাক। বিএসএফ ইতিমধ্যেই সীমান্তে কাজ করছে। এভাবে শুট অ্যাট সাইট বলে তো রক্তপাত বাড়বে।” অপরদিকে বিজেপি নেতারা অর্জুন সিংয়ের বক্তব্যকে ‘বাস্তববাদী’ বলে সমর্থন জানিয়েছেন। রাজ্য বিজেপির এক মুখপাত্র বলেন, “দেশের সীমান্ত রক্ষা করা সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

Advertisements

নরম নীতির জন্যই আজ এই অবস্থা।”বিএসএফ সূত্রে জানানো হয়েছে, সীমান্তে অনুপ্রবেশ আটকাতে তাঁরা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন অভিযান চালাচ্ছেন। তবে ‘শুট অ্যাট সাইট’ এর মতো বিশেষ নির্দেশের বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্তরে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী অনেকেই বলছেন, গত কয়েক বছরে অনুপ্রবেশ বেড়েছে। ফলে স্থানীয় চাকরি, জমি এবং সম্পদের ওপর চাপ পড়ছে।

Advertisements