পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনে বড় পরিবর্তন! ১ অক্টোবর থেকে আর দায়িত্বে নেই কলকাতা পুলিশ

কলকাতা: কলকাতা পুলিশ পাসপোর্ট যাচাই প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনছে।(passport verification) আগামী ১ অক্টোবর থেকে শহরের সব নতুন পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন কেস সিকিউরিটি কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন বা এসসিও-র…

kolkata-passport-verification-sco

কলকাতা: কলকাতা পুলিশ পাসপোর্ট যাচাই প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তন আনছে।(passport verification) আগামী ১ অক্টোবর থেকে শহরের সব নতুন পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন কেস সিকিউরিটি কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন বা এসসিও-র হাতে চলে যাবে। এতদিন যে কাজ স্থানীয় থানাগুলো করত, সেই দায়িত্ব আর তাদের ওপর থাকবে না। পুলিশ কমিশনারের জারি করা নির্দেশ অনুযায়ী থানাগুলোকে বলা হয়েছে বর্তমানে যেসব কেস বকেয়া রয়েছে সেগুলো নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে।

Advertisements

সাপ্তাহিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে যাতে অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা যায়।(passport verification)কলকাতা পুলিশ এলাকায় বর্তমানে প্রায় বিয়াল্লিশ হাজার পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন কেস অপেক্ষমাণ রয়েছে। এই বিপুল সংখ্যক বকেয়া কাজের চাপ কমাতে এবং প্রক্রিয়া দ্রুততর করতেই এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নতুন ব্যবস্থায় নতুন আবেদনগুলো সরাসরি এসসিও দেখভাল করবে। অন্যদিকে থানাগুলো শুধু পুরনো বকেয়া কেসগুলো নিষ্পত্তিতে মনোযোগ দেবে। থানার অফিসার ইন-চার্জদের ব্যক্তিগতভাবে এই কাজ তদারকি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

   

আরও দেখুনঃ রাষ্ট্র সংঘে সন্ত্রাস বিরোধী অবস্থানের ঝুটো বার্তা! আফগানিস্তান নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ফের ধরা পড়ল পাক জঙ্গি

ডিভিশনাল ডেপুটি কমিশনাররাও নিয়মিত নজর রাখবেন এবং সাপ্তাহিক ভিত্তিতে থানাভিত্তিক রিপোর্ট জমা দেবেন।এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো পাসপোর্ট যাচাই প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত ও সুষ্ঠু করা।(passport verification) দীর্ঘদিন ধরে থানাগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ থাকায় অনেক আবেদনকারীকে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হতো। এখন এসসিও কেন্দ্রীয়ভাবে নতুন কেসগুলো সামলাবে বলে আশা করা হচ্ছে যে কাজের গতি বাড়বে। এসসিও আগেও পাসপোর্ট সংক্রান্ত কিছু কাজ করত।

Advertisements

এখন তাদের দায়িত্ব আরও বাড়ানো হলো। থানাগুলো অন্যান্য দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি শুধু বকেয়া কেসগুলো শেষ করার দিকে মন দেবে।পুলিশ সদর দফতর লালবাজার থেকে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। জয়েন্ট কমিশনার এবং এসসিও-র ডেপুটি কমিশনারকেও তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নভেম্বর পর্যন্ত সাপ্তাহিক রিপোর্ট চলবে যাতে কোনো কেস যাতে পড়ে না থাকে। থানাগুলোকে সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত কত কেস বকেয়া ছিল, প্রতি সপ্তাহে কত নিষ্পত্তি হলো এবং কত বাকি রইল এসব তথ্য নিয়মিত জানাতে হবে। এই কঠোর নজরদারির মাধ্যমে বকেয়া দ্রুত কমিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

Advertisements