‘হাত দেখানোর স্বাধীনতা নেই, স্বামীকে ৭২ হুর দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা!’ হিজাব নিয়ে ফের বিস্ফোরক তসলিমা

কলকাতা: ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাস এবং ধর্মের চরমপন্থা নিয়ে ফের সরব তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)। তসলিমা সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি প্রকাশ করেছেন। যে ছবিতে দেখা গিয়েছে…

Taslima Nasrin

কলকাতা: ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাস এবং ধর্মের চরমপন্থা নিয়ে ফের সরব তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)। তসলিমা সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি প্রকাশ করেছেন। যে ছবিতে দেখা গিয়েছে কিছু মুসলিম মহিলা হিজাব পরে হাতে দস্তানা পরেই ভাত খাচ্ছেন। এই ছবি দেখে ফের একবার বিস্ফোরক বিতর্কিত সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। তিনি বলেছেন যাদের হাত দেখানোর স্বাধীনতা নেই তারাই আবার তাদের স্বামীকে জন্নতে পাঠিয়ে ৭২ হুরের সঙ্গে যৌন সঙ্গম করার সুযোগ করে দিতে চাইছে।

Advertisements

তিনি এই ধর্মান্ধতাকে কটাক্ষ করে বলেছেন ‘মানব জাতি টিকে থাকবে কিনা তার ঠিক নেই তবুও এখনো এই মুসলিম মহিলারা হাত মোজা পরে ভাত খাচ্ছে, যাতে কোনও পরপুরুষ তাদের শরীরের কোনো অংশ দেখে না ফেলে।’ এছাড়াও এই ছবিকে কেন্দ্র করে তিনি বলেছেন এই পরিস্থিতির জন্য কিছুতেই এরা দায়ী হতে পারে না। এর জন্য দায়ী সমাজ আর রাষ্ট্রের পরিচালকরা। যারা কর্তৃত্বের লোভে মানুষকে ধর্মান্ধ করে দিতে চায় এবং তাদের পঙ্গু করে দিতে চায়।

   

তিনি প্রত্যেকবারের মত এবারেও ধর্মকে রূপকথার সঙ্গে তুলনা করেছেন এবং বলেছেন মানুষ তার মৃত্যুর পর কোথায় যাবে এবং কাদের সঙ্গে যৌন সঙ্গম করবে সেই ভাবনা সম্পূর্ণ অমূলক এবং যারা এই ধর্মের মাথায় বসে আছে তারাই নিজেদের কর্তৃত্ব ফলানোর জন্য শরীয়তের দোহাই দিচ্ছে। প্রসঙ্গত তসলিমা (Taslima Nasrin)একাধিকবার এই ধরণের বিতর্কে সরব হয়েছেন এবং শুধু তাই নয়, তার প্রত্যেকটি সাহিত্য সৃষ্টিতেই তিনি ধর্মান্ধতার কথা লিখেছেন এবং এর উপর কষাঘাত করেছেন।

যার ফলশ্রুতিতে নিজের জন্মস্থানে তার জায়গা হয়নি। জায়গা হয়নি তার পশ্চিম বাংলাতেও। তার লেখা লজ্জা, দিখন্ডিতকে নিষিদ্ধ করে তাকে পাঠানো হয়েছিল নির্বাসনে। তসলিমার এই বিস্ফোরক মন্তব্যে নেটিজেনদের একাংশও তাকে সমর্থন জানিয়েছেন এবং বলেছেন মানবিকতা থেকে ধর্মের ব্যবসাই এখন রমরমিয়ে চলছে।

Advertisements

আর ধর্মের ধ্বজাধারীরা শরীয়তের দোহাই দিয়ে ব্রেনওয়াশ করে মানুষকে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চালনা করছে, তাদের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দিচ্ছে ধর্মান্ধতার বিষ। শুধু তাই নয় সাম্প্রতিক কালে বাংলাদেশে মাদ্রাসাগুলিতে একাধিক শিশুর যৌন নিগ্রহের প্রসঙ্গ টেনে এনে অনেকেই বলেছেন তারা নারীকে পর্দার আড়ালে ঢেকে রাখতে চায় যাতে অন্য পুরুষ তাদের দেখে না ফেলে আবার তারাই মাদ্রাসার মত জায়গায় শিশুদের ধর্ষণ করে। এই দ্বিচারিতার শেষ কোথায় ?

Advertisements