নেতানইয়াহুর ভাষণ শুরু হতেই রাষ্ট্রনেতাদের ওয়াকআউট, ‘মোরাল কাওয়ার্ড’ বলে কটাক্ষ ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর

রাষ্ট্রসঙ্ঘের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে অপমানিত হতে হল ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানইয়াহুকে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় তিনি বক্তব্য রাখা শুরু করতেই একের পর এক আধিকারিক উঠে চলে…

রাষ্ট্রসঙ্ঘের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে অপমানিত হতে হল ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানইয়াহুকে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় তিনি বক্তব্য রাখা শুরু করতেই একের পর এক আধিকারিক উঠে চলে যান। প্রায় খালি হয়ে যাওয়া হলে বক্তব্য রাখেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই উগরে দেন নিজের ক্ষোভ। তিনি বলেন তাঁর দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার চলছে। ইজরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলতে চাইছে কিছু দেশ। এই কথা বলার পরেই দর্শকাসন থেকে দুয়োধ্বনি ওঠে।

Advertisements

উল্লেখ্য, নিউইয়র্কের মেয়ক জোহরান মামদানি এই প্রধানমন্ত্রীকেই যুদ্ধ অপরাধী তকমা দিয়েছিলেন। এমনকী নেতানইয়াহুকে গ্রেফতার করা উচিত বলেও বক্তব্য রাখেন তিনি। সেই ঘটনাকে সামনে এনেই নিজের বক্তব্য শুরু করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন মামদানি তাঁকে চুপ করাতে চেয়েছিলেন, তাঁকে আটকাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছেন। যেটা সত্যি, তাকে কেউ থামাতে বা আটকাতে পারে না।

   

নেতানইয়াহু বলেন ইজরায়েল কোনও গণহত্যা করেনি। বরং তাঁর দেশ সেটা আটকেছে। ইহুদি বিদ্বেষ ছড়িয়ে তাঁর দেশকে নীচু করা হচ্ছে। যারা এভাবে ইহুদি বিদ্বেষ ছড়ায়, তাদের লজ্জা হওয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরেই দর্শকাসন ফাঁকা হতে শুরু করে। তাতে রীতিমত রেগে যান তিনি। বলেন, “যেসমস্ত কাপুরুষরা এখনও ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাননি দয়া করে তাঁরাও সকলে বেরিয়ে যান।” এরপরেই হলে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন মাস দেড়েক পরেই ইজরায়েলে সাধারণ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে কি আদৌ জিততে পারবেন নেতানইয়াহু, সন্দেহ রয়েছে তাঁর দলের সমর্থকদের মধ্যেই। রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় যেন তারই প্রতিফলন দেখা গেল।

Advertisements
Advertisements