‘পনির’-এর নামে আর নয় ভেজাল! উদ্ভিজ্জ তেল-চর্বির অ্যানালগ পনিরে লাগাম FSSAI-এর

পনিরের নামে ভেজাল বিক্রি আর নয়। এবার থেকে পনিরের ভেজাল বিক্রি আটকাতে বড়সড় পদক্ষেপ করল ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI)। এক বিজ্ঞপ্তি…

পনিরের নামে ভেজাল বিক্রি আর নয়। এবার থেকে পনিরের ভেজাল বিক্রি আটকাতে বড়সড় পদক্ষেপ করল ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI)। এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তারা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে চর্বি, উদ্ভিজ তেল বা অন্য উপকরণ দিয়ে তৈরি অ্যানালগ পনিরকে আসল পনির হিসেবে বিক্রি করা যাবে না।

Advertisements

২০১১ সালের ‘ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস (প্রোহিবিশন অ্যান্ড রেস্ট্রিকশনস অন সেলস) রেগুলেশনস’-এ সংশোধন করতে চেয়ে একটি খসড়া প্রস্তাব প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে FSSAI বলেছে দুধ থেকে তৈরি হওয়া পনিরই আসল পনির। দুধের তৈরি নয়, অথবা দুধ থেকে পাওয়া যায় না এমন উপাদান দিয়ে তৈরি পনিরকে আসল কিছুতেই বলা যাবে না। ক্রেতাকে বিষয়টি জানানোর জন্য প্যাকেটের গায়ে স্পষ্ট ভাবে লিখতে হবে।

   

পণ্যের আসল উপাদান কী, তা ক্রেতাকে জানানোর নির্দেশ দিয়েছে FSSAI। যাতে কোনওভাবেই ক্রেতা পনির কিনতে গিয়ে না ঠকে যান। FSSAI বলেছে তুলনামূলক কম খরচে দুধ ছাড়া অন্য উপাদানে তৈরি পণ্য দেখতে ও খেতে পনিরের মতো হলেও, তা আসল পনির নয় কখনই। কারণ তার পুষ্টিগত মান ও গঠন একেবারেই আলাদা।

FSSAI-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে ডেয়ারি অ্যানালগ তৈরিতে দুধের ফ্যাট বা প্রোটিনের পরিবর্তে উদ্ভিজ্জ তেল, উদ্ভিজ্জ ফ্যাট কিংবা উদ্ভিজ্জ প্রোটিন ব্যবহার করা হতে পারে। কিন্তু তা পনির নয়। তাই এই ধরণের পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে প্যাকেটে, লেবেলে বা বিজ্ঞাপনে পনির কথাটি ব্যবহার করা যাবে না।

Advertisements

এর আগেও FSSAI এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়েছিল। চিজ অ্যানালগকে পনির বলে বিক্রির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়েছিল এই সংস্থা। কয়েকটি রাজ্যেও এই ইস্যুতে ধরপাকড় চলে। এবার কেন্দ্রীয় স্তরে গিয়ে পদক্ষেপ করতে চলেছে FSSAI।

Advertisements