Missile Test: ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর বঙ্গোপসাগরে একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য একটি ‘নোটাম’ (NOTAM) জারি করা হয়েছে, যার আওতায় প্রায় ৬০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত একটি অস্থায়ী বিপদজনক এলাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই পরীক্ষা ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিকে আরও জোরদার করবে।
আগামী ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য বঙ্গোপসাগরে ৬০০ কিলোমিটার এলাকাকে ‘নো-ফ্লাই জোন’ (বিমান চলাচলের জন্য নিষিদ্ধ এলাকা) হিসেবে ঘোষণা করে একটি নোটিম (NOTAM) জারি করা হয়েছে।
এই নোটিফিকেশন টু এয়ারমেন (NOTAM) ২৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৮:৩০ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩:৩০ টে পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। পরীক্ষামূলক এলাকা বা ‘নো-ফ্লাই জোন’-এর ব্যাসার্ধ প্রায় ৬০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। জানা যাচ্ছে, ওড়িশা উপকূলের অদূরে বঙ্গোপসাগরের ওপরের আকাশসীমায় এই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
কোন নির্দিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার পরীক্ষা চালানো হবে, সে বিষয়ে প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি। অসামরিক বিমান চলাচল ও নৌ-চলাচলকে এই উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিরক্ষা পরীক্ষা-নিরীক্ষার এলাকা থেকে দূরে রাখার লক্ষ্যে একটি সাধারণ কার্যপদ্ধতি হিসেবে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
কোন ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষা চালানো হতে পারে?
ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO) আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম প্রকাশ করেনি; তবে ৬০০ কিলোমিটার পাল্লার কারণে ধারণা করা হচ্ছে যে, এটি ‘প্রলয়’ (Pralay) ট্যাকটিক্যাল ব্যালিস্টিক মিসাইল, ‘পৃথিবী’ (Prithvi) সিরিজের কোনো ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা ‘ব্রহ্মোস’ (BrahMos) ক্রুজ মিসাইলের কোনো উন্নত সংস্করণ হতে পারে।
এই পরীক্ষাটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
এই পরীক্ষাটি ভারতের ‘ট্রাই-সার্ভিস থিয়েটার কমান্ড’ এবং আন্দামান ও নিকোবর অঞ্চলের কৌশলগত এলাকায় নজরদারি ও পরিচালনগত প্রস্তুতি আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থিত লঞ্চ প্যাড থেকে এই পরীক্ষাটি চালানো হবে। এটি ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি ও কৌশলগত সক্ষমতাকে আরও সুদৃঢ় করবে।
