রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। নবান্নে তিনি জানান ৭ বছরের বকেয়া ডিএ বা মহার্ঘভাতা মিটিয়ে দেবে রাজ্য সরকার। ফলে বেশ মোটা টাকা ঢুকতে চলেছে সরকারি কর্মীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। রাজ্যের অর্থদফতর একটি বিশেষ নির্দেশিকা প্রকাশ করে জানিয়েছে ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে হিসেব করা হবে বকেয়া ডিএ। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সেই হিসেব করা হবে।
এরআগে মার্চ মাসে প্রকাশিত এক নির্দেশিকায় নবান্ন জানিয়েছিল ২০১৬ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দেওয়া হবে। তার আগের ৭ বছরের বকেয়া কবে মিলবে, তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল কর্মীদের মনে। এই নির্দেশিকায় সেই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলেন তাঁরা।
জানা গিয়েছে গ্রুপ ‘এ’, গ্রুপ ‘বি’ এবং গ্রুপ ‘সি’-র কর্মীরা তাঁদের রাঙ্ক অনুযায়ী প্রাপ্য ডিএ-র টাকা পাবেন, তবে সরাসরি তা তাঁদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে না। মহার্ঘ ভাতার অর্থ তাঁদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তবে গ্রুপ ‘ডি’ কর্মীদের প্রাপ্য অর্থ জমা হবে তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নগদে।
ইতিমধ্যেই ১৫ অক্টোবরেই অক্টোবর মাসের বেতন, পেনশন ও ডিএ-র টাকা ঢুকে যাবে বলে নবান্ন জানিয়েছিল। তখনই প্রশ্ন উঠেছিল যে বকেয়া ডিএ কবে দেবে সরকার। এবার নয়া নোটিফিকেশনে জানানো হয়েছে বকেয়া ডিএ এক কিস্তিতেই মিটিয়ে দেবে সরকার।
নবান্নের অর্থ দফতর জানিয়েছে যে সব কর্মী তাঁদের অবসরের তারিখের আগের তিন মাস সময়ের মধ্যে রয়েছেন ও জিপিএফ-এ চূড়ান্ত টাকা দেওয়ার সময় হয়েছে, তাদের বকেয়া ডিএ সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে।
তাঁদের অবসরের তারিখের আগের তিন মাস সময়ের মধ্যে রয়েছেন এবং যাদের জিপিএফ-এ চূড়ান্ত অর্থ প্রদানের সময় হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে প্রাপ্য বকেয়া ডিএ সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। এঁদের টাকা জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা হবে না। জিপিএফ-এ জমা হওয়া এই বকেয়া ডিএ ২০২৮ সালের ৩১ মার্চের আগে সাধারণভাবে তোলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে অর্থদপ্তর। নোটিশে বলা হয়েছে পদত্যাগ, অবসর বা মৃত্যুর মতো বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া ওই অর্থের উপর ‘লক-ইন’ জারি থাকছে।
