অন্দরের মতপার্থক্যের জল্পনা উড়িয়ে কমিশনের দাবি, SIR-সহ প্রতিটি সিদ্ধান্তই সর্বসম্মত

নয়াদিল্লি: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (Special Intensive Revision বা SIR) সহ নির্বাচন কমিশনের নেওয়া প্রতিটি নীতিগত সিদ্ধান্তই সর্বসম্মত। অন্দরে মতপার্থক্যের গুঞ্জন উড়িয়ে বুধবার সাফ জানিয়ে…

নয়াদিল্লি: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (Special Intensive Revision বা SIR) সহ নির্বাচন কমিশনের নেওয়া প্রতিটি নীতিগত সিদ্ধান্তই সর্বসম্মত। অন্দরে মতপার্থক্যের গুঞ্জন উড়িয়ে বুধবার সাফ জানিয়ে দিল কমিশন সূত্র।

Advertisements

সম্প্রতি দেশের একটি প্রথমসারির সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, গত ১০ মাসে কমিশনের নানা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অন্তত ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী। ফর্ম-৬ এর পরিবর্তন থেকে শুরু করে ডেটাবেস অ্যাক্সেস কিংবা পশ্চিমবঙ্গ ও গোয়ার একাধিক প্রশাসনিক বিষয়ে নাকি দুই কমিশনার নোট অফ ডিসেন্ট বা আপত্তি রেকর্ড করিয়েছেন। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই দিল্লির রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে যায়।

   

আইনি বিধি ও কমিশনের ব্যাখ্যা

বিতর্ক বাড়তেই আসরে নামে কমিশন সূত্র। ২০২৩ সালের ‘মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার আইন’-এর ১৮ নম্বর ধারার কথা মনে করিয়ে প্যানেলের দাবি, অভ্যন্তরীণ বৈঠকে বিভিন্ন সদস্যের নিজস্ব মতামত বা ভিন্ন চিন্তা থাকতেই পারে, যা গণতন্ত্রের অঙ্গ। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আইন মেনেই তা সর্বসম্মতভাবে বা সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই বাস্তবায়িত হয়েছে। বিশেষ করে, এসআইআর সংক্রান্ত সমস্ত পদক্ষেপ তিন সদস্যের যৌথ অনুমোদন নিয়েই নেওয়া হয়েছে বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে।

বিরোধীদের নিশানায় কমিশন

কমিশনের অন্দরের এই মতপার্থক্যের খবর সামনে আসতেই কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নিয়েছে বিরোধী শিবির। সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদব গোটা বিষয়টিকে “অত্যন্ত উদ্বেগজনক” বলে অভিহিত করেছেন এবং সুপ্রিম কোর্টের স্বতঃপ্রণোদিত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাঁর মতে, স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ স্বচ্ছতা বিঘ্নিত হলে তা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক। অন্যদিকে, কংগ্রেস সাংসদ মণীশ তিওয়ারিও কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এর নেপথ্যে “অদৃশ্য শক্তির হাত” রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন।

Advertisements
Advertisements