নিউটাউনের মেট্রোপলিটন ফ্লাইওভার প্রকল্পের খরচ বাজেট ছাড়িয়ে ১,২১৮ কোটি

কলকাতা: নিউটাউনের যানজট কমাতে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর আরেক ধাপ (New Town flyover)এগোল মেট্রোপলিটন-নিউ টাউন ফ্লাইওভার প্রকল্প। রাজ্যের নগরোন্নয়ন দফতর এই ৫.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ উঁচু করিডোরের…

metropolitan-new-town-flyover

কলকাতা: নিউটাউনের যানজট কমাতে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর আরেক ধাপ (New Town flyover)এগোল মেট্রোপলিটন-নিউ টাউন ফ্লাইওভার প্রকল্প। রাজ্যের নগরোন্নয়ন দফতর এই ৫.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ উঁচু করিডোরের পরিকল্পনা ও ব্যয় অনুমোদন দিয়ে অর্থ দফতরে পাঠিয়েছে। এখন অর্থ দফতরের চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেলেই কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বা কেএমডিএ টেন্ডার ভাসাতে পারবে।

Advertisements

জুন মাসের বাজেটে এই প্রকল্পের জন্য ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। কিন্তু কেএমডিএ খরচ যাচাইয়ের জন্য রেলের সহযোগী সংস্থা রাইটসকে দায়িত্ব দেয়। রাইটসের মূল্যায়নে প্রকল্পের খরচ দাঁড়িয়েছে ১,২১৮ কোটি টাকা বাজেটের চেয়ে ৩১৮ কোটি টাকা বেশি। এই ব্যবধান মেটাতেই এখন অর্থ দফতরের অনুমোদন জরুরি হয়ে পড়েছে। নগরোন্নয়ন দফতরে ছাড়পত্র পাওয়ার পর ফাইল অর্থ দফতরে পৌঁছেছে।

   

আরও দেখুনঃ যাদবপুরে সুখবর! রাজ্যসরকারের তরফ থেকে অনুমোদন ২৫০ কোটি

কর্মকর্তারা আশা করছেন, শিগগিরই চূড়ান্ত অনুমোদন মিলবে (New Town flyover)এবং টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে।এই ফ্লাইওভারটি মেট্রোপলিটন মোড় থেকে শুরু হয়ে চিংড়িঘাটা, নিক্কো পার্ক হয়ে সেক্টর-ফাইভে প্রবেশ করবে। নিউ টাউন প্রান্তে এটি প্যানাস অ্যাপার্টমেন্টের কাছাকাছি শেষ হবে। পথে একাধিক র‌্যাম্প থাকবে যাতে যানবাহন সহজে ওঠানামা করতে পারে। শব্দ নিয়ন্ত্রণের জন্য নয়েজ ব্যারিয়ার, নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা এবং সেতুর স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাও যুক্ত করা হবে।

Advertisements

এসব সুবিধা প্রকল্পটিকে আরও আধুনিক ও নিরাপদ করে তুলবে বলে মনে করছেন পরিকল্পনাকারীরা।প্রকল্পের একটি অংশ পূর্ব কলকাতার জলাভূমির উপর দিয়ে যাবে। (New Town flyover)পরিবেশ রক্ষার কথা মাথায় রেখে বৃষ্টির জল যাতে জলাভূমিতে না পড়ে, সেজন্য বিশেষ ড্রেনেজ পাইপ লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই পাইপগুলোর মাধ্যমে বৃষ্টির জল সরাসরি বাইরে নিয়ে যাওয়া হবে, যাতে জলাভূমির বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতি না হয়। আগে পরিবেশবাদীদের আপত্তির পর কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রকের ছাড়পত্রও পাওয়া গিয়েছিল।

নিউ টাউন ও সেক্টর-ফাইভ এলাকায় যানজট দীর্ঘদিনের সমস্যা। ইএম বাইপাস থেকে আইটি হাব পর্যন্ত প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে। এই ফ্লাইওভার চালু হলে সেই চাপ অনেকটাই কমবে এবং নিউ টাউনের সঙ্গে শহরের অন্যান্য অংশের যোগাযোগ সহজ হবে। ব্যবসায়ী, অফিসযাত্রী ও সাধারণ মানুষের সময় ও জ্বালানি সাশ্রয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Advertisements