নিঠারি কাণ্ডে খালাস পাওয়ার পরেই চরম পরিণতি! হরিদ্বারে আত্মঘাতী সুরেন্দ্র কোহলি

নয়াদিল্লি/হরিদ্বার: নয়ডার বহুচর্চিত নিঠৈরি হত্যাকাণ্ডে একের পর এক মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে বেকসুর খালাস পেয়েছিলেন সুরেন্দ্র কোলি। জেল থেকে মুক্তির কয়েক মাসের…

নয়াদিল্লি/হরিদ্বার: নয়ডার বহুচর্চিত নিঠৈরি হত্যাকাণ্ডে একের পর এক মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে বেকসুর খালাস পেয়েছিলেন সুরেন্দ্র কোলি। জেল থেকে মুক্তির কয়েক মাসের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হল। হরিদ্বারে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, আত্মহত্যা করেছেন কোলি। শুক্রবার এই ঘটনার কথা জানিয়েছে হরিদ্বার পুলিশ।

Advertisements

হরিদ্বারে চায়ের দোকান চালাচ্ছিলেন

২০২৫ সালের নভেম্বরে নিথারি-কাণ্ডের শেষ মামলাতেও কোলির সাজা খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট। এর পর জেল থেকে বেরিয়ে তিনি হরিদ্বারে চলে যান। সেখানে গত কয়েক মাস ধরে একটি ছোট চায়ের দোকান চালাচ্ছিলেন তিনি।

   

পুলিশ জানিয়েছে, হরিদ্বারের ভূপতওয়ালা এলাকায় তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাঁর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।

১৩টি মামলাতেই খালাস

নিঠারি-কাণ্ডে কোলির বিরুদ্ধে মোট ১৩টি মামলা চলেছিল। এর মধ্যে ১২টি মামলায় আগেই তিনি খালাস পেয়েছিলেন। ২০২৫ সালের নভেম্বরে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের মাধ্যমে শেষ মামলাটিও তাঁর বিরুদ্ধে আর বহাল থাকেনি। ফলে নিঠারি হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত সব মামলাতেই তিনি আইনি ভাবে মুক্ত হয়ে যান।

Advertisements

সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, কোলির বিরুদ্ধে মূলত পরিস্থিতিগত প্রমাণের উপর নির্ভর করা হয়েছিল। কিন্তু সেই প্রমাণের পক্ষে প্রয়োজনীয় ফরেন্সিক সমর্থন ছিল না। তদন্তে একাধিক গুরুতর ত্রুটির কথাও আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে। নিখোঁজ শিশুদের অঙ্গ পাচারের অভিযোগ সংক্রান্ত সম্ভাব্য সূত্র নিয়েও যথাযথ তদন্ত হয়নি বলে আদালত উল্লেখ করেছিল।

কীভাবে সামনে আসে নিথারি-কাণ্ড?

২০০৬ সালের ডিসেম্বর মাসে নয়ডার নিথারি এলাকায় ব্যবসায়ী মনিন্দর সিং পন্ধেরের বাড়ির পিছনের নর্দমা থেকে শিশুদের কঙ্কাল, হাড়, জামাকাপড় ও জুতো উদ্ধারের পর গোটা ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। পরবর্তী তদন্তে একাধিক নিখোঁজ শিশু ও কিশোরীর মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসে। পন্ধেরের সেক্টর ৩১-এর ডি-৫ নম্বর বাড়িটি পরে ‘হাউস অফ হররস’ নামে পরিচিত হয়।

পন্ধেরের বাড়িতে গৃহপরিচারকের কাজ করতেন কোলি। গ্রেফতারের পর তাঁর বিরুদ্ধে খুন, অপহরণ, ধর্ষণ এবং প্রমাণ নষ্ট করার মতো একাধিক অভিযোগে মামলা করে সিবিআই। পন্ধেরের বিরুদ্ধেও পৃথক মামলা হয়েছিল।

২০০৯ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে কোলিকে একাধিক মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই মামলাগুলির একের পর এক আইনি মোড় বদলায় এবং শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে তাঁর সবকটি মামলাতেই খালাস নিশ্চিত হয়।

মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?

জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,

Advertisements