জোড়াফুল হারিয়ে ভরসা কি ফুলকপি, আপেল বা বালতি? বেকায়দায় তৃণমূলের দুই শিবির!

নয়াদিল্লি:  দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং উপনির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে চরম জট পাকানোর পর অবশেষে বড় ধাক্কা খেল ঘাসফুল শিবির। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে ফ্রিজ (Freeze)…

নয়াদিল্লি:  দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং উপনির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে চরম জট পাকানোর পর অবশেষে বড় ধাক্কা খেল ঘাসফুল শিবির। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে ফ্রিজ (Freeze) করে দেওয়া হলো তৃণমূলের ‘জোড়াফুল’ প্রতীক এবং ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটি। শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে কমিশনকে নতুন নাম ও প্রতীক বেছে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে রেজিনগর এবং নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে সম্পূর্ণ নতুন প্রতীক ও নাম নিয়ে ভোটারদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত, উভয় শিবিরকেই।

Advertisements

 প্রতীক জট ও কমিশনের ১৮৪টি মুক্ত প্রতীক

রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে একই দলের তরফে দু’টি করে পক্ষ আলাদা প্রার্থীর নামে ‘ফর্ম বি’ জমা দেওয়ায় রিটার্নিং অফিসারদের সামনে তৈরি হওয়া জটিলতার জেরে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। নিজেদের পছন্দমতো লোগো বা নাম বেছে নেওয়ার কোনো সুযোগ না থাকায়, নির্বাচন কমিশনের ১৮৪টি মুক্ত প্রতীকের তালিকা (যেমন, আলমারি, গ্যাস সিলিন্ডার, টেবিল ল্যাম্প, বই, টর্চ ইত্যাদি) থেকেই ৩টি করে বিকল্প নাম ও প্রতীক কমিশনে জমা দিতে হচ্ছে দুই পক্ষকে। যার মধ্যে একটিতে সিলমোহর দেবে কমিশন। ১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে জন্ম নেওয়া এবং রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা জোড়াফুল প্রতীক হাতছাড়া হওয়ায় রাজ্য রাজনীতিতে এখন শোরগোল পড়ে গেছে।

   

প্রতীক-যুদ্ধের আইনি প্রেক্ষাপট ও প্রচারের নতুন সমীকরণ

নির্বাচনী প্রচারের ভাষা এবং ভোটারদের কাছে প্রার্থীকে চেনার মূল মাধ্যম হলো এই প্রতীকচিহ্ন। তাই কমিশনের দেওয়া মুক্ত প্রতীকগুলির মধ্যে কোনটি মানুষের মন জয় করতে সবচেয়ে বেশি উপযোগী হবে, তা নিয়ে এখন থেকেই দু’পক্ষেই শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে যে প্রতীক তৃণমূলের রাজনৈতিক পরিচয়ের সমার্থক হয়ে উঠেছিল, অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশে আপাতত তা উভয় শিবিরের হাত থেকেই চলে গেল। এই অচলাবস্থা কাটিয়ে উপনির্বাচনের বৈতরণী পার হতে দুই শিবির শেষ পর্যন্ত কোন নতুন প্রতীক বেছে নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা

Advertisements

জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,

Advertisements