১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি সুরক্ষা নিশ্চিত করাই প্রধান লক্ষ্য- মার্কিন কংগ্রেসের বিল পাসে কড়া অবস্থান ভারতের

বৃহস্পতিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিলের শুল্ক ইস্যুতে কড়া অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি। এদিন ভারতের বিদেশমন্ত্রক পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে আপাতত কেন্দ্রের প্রধান লক্ষ্য দেশের ১৪০ কোটি…

india-us-strategic-partnership

বৃহস্পতিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিলের শুল্ক ইস্যুতে কড়া অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি। এদিন ভারতের বিদেশমন্ত্রক পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে আপাতত কেন্দ্রের প্রধান লক্ষ্য দেশের ১৪০ কোটি মানুষের জ্বালানি সুরক্ষা নিশ্চিত করা। তারপরে বাকি বিষয়গুলি নিয়ে ভাববে তারা।

Advertisements

বিদেশমন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মার্কিন কংগ্রেসে ‘রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আইন’ পাস হওয়ার বিষয়টি কেন্দ্র লক্ষ্য করেছে। পরের ঘটনার দিকেও তারা নজর রাখবে। তবে এই মুহুর্তে দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে জ্বালানি নিরাপত্তা দিতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইতিমধ্যেই রুশ তেল কেনা নিয়ে মাথা না নোয়ানোর বার্তা দিয়েছে কেন্দ্র।

   

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসে পাশ হয়েছে রাশিয়া ও ইরানের তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বিল। ডোনাল্ড ট্রাম্প এটিতে সই করলেই বিলটি আইনে পরিণত হবে। তারপর ভারত, চিন-সহ ৫টি দেশের উপরে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে আমেরিকা। তবে ভারত নিজের অবস্থান আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বিদেশমন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে শুধু ইরান বা রাশিয়া নয়, বিভিন্ন উৎস থেকে তেল আমদানির চেষ্টা ভারত চালাচ্ছে। একাধিকবার এই বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের কথা হয়েছে। শুধু মাত্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর নয়, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের ওপরেও এর প্রভাবের কথা ভারত জানিয়েছে। তবে নিজের দেশের মানুষের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখতে কেন্দ্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

Advertisements

তবে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে,এই বিল পাশ হলেই ভারতীয় পণ্যের উপর সঙ্গে সঙ্গে ১০০ শতাংশ শুল্ক বসে যাবে—এমনটা নয়। আইন কার্যকর হলে ট্রাম্প প্রশাসনকে সেই শুল্ক আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হবে। অর্থাৎ পরবর্তী সিদ্ধান্ত প্রেসিডেন্টের হাতে থাকবে।

বিলের সংশোধিত প্রস্তাবে রুশ অপরিশোধিত তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাস কেনা কিংবা রাশিয়ার উপর থাকা নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তা করা দেশগুলির উপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সুযোগ রাখা হয়েছে। মার্কিন হাউসের নথিতে ভারত, চিন, তুরস্ক, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, সিঙ্গাপুর, কাজাখস্তান ও কিরগিজস্তানের নাম প্রস্তাবিত তালিকায় রয়েছে।

Advertisements