ঢাকা: বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে পাকিস্তান আমল এবং স্বাধীনতা সংগ্রামকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ বা ডাকসু (DUCSU)-র নতুনভাবে সাজানো জাদুঘরে মোহাম্মদ আলি জিন্নাহর ছবিকে প্রধান্য দেওয়া এবং অন্যদিকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একাধিক ঐতিহাসিক ছবি ও নিদর্শন বাদ দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই রাজনৈতিক সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে।
জাদুঘরে জিন্নাহর উপস্থিতি বনাম বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস ছাঁটাই
১৯২১ সাল থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস তুলে ধরতে সম্প্রতি ওই জাদুঘরটি সংস্কার করা হয়েছে। সেখানে ১৯৪৮ সালের রেসকোর্স ময়দানের ভাষণ, ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচন সংক্রান্ত জিন্নাহর তিনটি বড় ছবি ঠাঁই পেয়েছে। এমনকি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের বিরুদ্ধে জিন্নাহর উর্দুর পক্ষে অবস্থানের ছবিও সেখানে রয়েছে। তবে এর বিপরীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূলায়ক বঙ্গবন্ধুর কোনো একক ঐতিহাসিক ছবি বা ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা, উনসত্তরের গণঅভুত্থান ও ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের ছবিগুলি এই প্রদর্শশালা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র তাঁর পরিবারের কিছু ছবি ও খবরের কাগজের কাটিংয়ের উপস্থিতি রাখা হয়েছে। 📉
ডাকসু নেত্রীর সাফাই ও সমালোচকদের প্রতিবাদ
ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণআন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তেসনিম জুমা জানিয়েছেন, ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের পর থেকেই তথাকথিত ফ্যাসিবাদ বা স্বৈরাচারের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তিদের ছবিগুলো সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। তাদের অভিযোগ, সচেতনভাবেই একটি চক্র মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে লঘু করে বাংলাদেশে পুনরায় পাকিস্তানপন্থী রাজনীতিকে প্রাসঙ্গিক করে তোলার চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে এমন ঘটনায় দেশের মূলধারার রাজনীতি ও শিক্ষাঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে।
মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,
