নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেসব হাইওয়ে প্রকল্পের উদ্বোধন বা উৎসর্গ করেন, (Highway Monitoring)সেগুলোর মান এখন আর শুধু উদ্বোধনের দিনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ বা এনএইচএআই এমন প্রকল্পগুলোর জন্য ছয় মাসের কঠোর নজরদারির নতুন নিয়ম চালু করেছে। উদ্বোধনের পরও নিয়মিত পরিদর্শন চলবে যাতে কোনো ত্রুটি থাকলে দ্রুত সংশোধন করা যায়।
নতুন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী যে (Highway Monitoring)প্রকল্প উদ্বোধন করবেন বা যান চলাচলের জন্য খুলে দেবেন, সেটির ওপর ছয় মাস ধরে নিবিড় নজরদারি থাকবে। প্রথম তিন মাসে প্রতি সপ্তাহে এবং পরের তিন মাসে প্রতি পক্ষকালে পরিদর্শন করা হবে। প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও তদারকি পরামর্শদাতার দল যৌথভাবে এই পরিদর্শন চালাবেন।পরিদর্শনে বিশেষ নজর দেওয়া হবে সড়কের পেভমেন্ট ও রাইডিং কোয়ালিটি, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, রোড ফার্নিচার এবং অন্যান্য সম্ভাব্য ত্রুটির ওপর।
আরও দেখুনঃ মোদী রাজ্যে হিন্দু খুনে অভিযুক্ত ফয়সালকে প্রকাশ্যেই উত্তম মধ্যম পুলিশের
কোনো সমস্যা ধরা পড়লে ঠিকাদারকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা ঠিক করতে হবে। এতে শুধু রিবন কাটিং করে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা কমে যাবে। প্রকল্প উদ্বোধনের পরও এর মান বজায় রাখার দায়িত্ব স্পষ্ট থাকবে।এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক কিছু অভিজ্ঞতা। কয়েকটি নতুন হাইওয়ে উদ্বোধনের পর দ্রুত ত্রুটি দেখা গিয়েছিল। সেই শিক্ষা থেকে এনএইচএআই তাদের নিয়ম আরও কঠোর করেছে।
বড় এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে তৃতীয় পক্ষের অডিটেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। (Highway Monitoring)এতে মান নিয়ন্ত্রণ আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর হবে।সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য এটি সুখবর। নতুন হাইওয়ে খোলার পর যদি ফাটল, জল জমে থাকা বা নিরাপত্তার অভাব দেখা যায়, তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। ঠিকাদারদেরও আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। কারণ নজরদারির সময়কালে সমস্যা ধরা পড়লে তাঁদের দ্রুত সংশোধন করতেই হবে।
এনএইচএআই-এর এই পদক্ষেপ জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কের মান উন্নয়নের দিকে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। শুধু নির্মাণ শেষ করা নয়, দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন লক্ষ্য। (Highway Monitoring)প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধিত প্রকল্পগুলো দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। সেগুলোর মান যাতে দীর্ঘদিন অটুট থাকে, সেই জন্যই এই নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।পরিদর্শন দল সড়কের প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখবেন।
পেভমেন্টের মসৃণতা, জল নিষ্কাশন ব্যবস্থা, সেফটি ব্যারিয়ার, সাইনেজ সবকিছু পরীক্ষা করা হবে। সমস্যা ধরা পড়লে রিপোর্ট করা হবে এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তা সারানো বাধ্যতামূলক থাকবে। এতে জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে।
এই নতুন নিয়ম হাইওয়ে নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণে জবাবদিহিতা বাড়াবে। ঠিকাদাররা এখন আর উদ্বোধনের পর দায়িত্ব এড়াতে পারবেন না। এনএইচএআই-এর তরফে নিয়মিত ফলোআপ থাকবে। ফলে সড়কের মান দীর্ঘদিন ভালো থাকবে এবং যাতায়াত আরও নিরাপদ ও আরামদায়ক হবে।
