Missile Test: ভারত আবারও তার সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ওড়িশা উপকূলের অদূরে অবস্থিত ড. এপিজে আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে ‘ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ (DRDO) এবং ‘স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড’-এর যৌথ উদ্যোগে আরও একটি বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়ে জোর গুঞ্জন চলছে। ভারত বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রায় ২,৯৯৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে একটি নতুন ‘নোটাম’ (NOTAM—বিমানচালকদের জন্য বিজ্ঞপ্তি) জারি করেছে।
একটি নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় ঘোষিত ‘নো-ফ্লাই জোন’ বা বিমান চলাচল-নিষিদ্ধ এলাকা অনুযায়ী, এই পরীক্ষাটি ২০২৬ সালের ২ ও ৩ সেপ্টেম্বর পরিচালনার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়ে বেসামরিক বিমান চলাচল বা সামুদ্রিক কার্যক্রম রোধ করতে আকাশসীমা থেকে সমুদ্রপৃষ্ঠ পর্যন্ত বিস্তৃত একটি বিশাল এলাকাকে ‘নো-ফ্লাই জোন’ এবং ‘বিপজ্জনক করিডোর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ‘নোটাম’ (NOTAM) বা বিমানচালকদের জন্য জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই পরীক্ষার আওতাভুক্ত পরিসর বা পাল্লা প্রায় ২,৯৯৫ কিলোমিটার।
কোন ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষা চালানো হতে পারে?
বিভিন্ন সূত্রের মতে, নির্ধারিত এই পরীক্ষাকেন্দ্রটি ‘অগ্নি’ সিরিজের মধ্যম-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র—যেমন ‘অগ্নি-৩’ বা ‘অগ্নি-৪’-এর সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, যা ভারতের আঘাত হানার সক্ষমতাকে আরও জোরদার করে। এছাড়া, সূত্রগুলোর ইঙ্গিত অনুযায়ী, এই ‘নোটিম’ (NOTAM)-টি অত্যাধুনিক ও অতি-দীর্ঘ পাল্লার পরবর্তী প্রজন্মের ‘অগ্নি-৬’ ক্ষেপণাস্ত্র কিংবা এর কোনো অংশের পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের সাথেও সম্পর্কিত হতে পারে।
প্রতিরক্ষা খাতে ভারত তার স্বনির্ভরতা জোরদার করছে
যদিও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বা ডিআরডিও (DRDO) এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম প্রকাশ করেনি, তবুও এই পরীক্ষাটি স্পষ্ট করে দেয় যে ভারত প্রতিরক্ষা খাতে ক্রমাগত তার স্বনির্ভরতা ও কৌশলগত প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদার করছে।
