কলকাতা: আধার-ভিত্তিক বায়োমেট্রিক ই-কেওয়াইসি (LPG e-KYC ) সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৮৭ শতাংশ ঘরোয়া এলপিজি সংযোগ ইতিমধ্যেই নিয়ম মেনে নিয়েছে। আগামী সোমবার, ৩১ আগস্ট নির্ধারিত সময়সীমার আগে এই হার আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন এলপিজি ডিলাররা। তবে চূড়ান্ত পরিসংখ্যান সোমবারই পাওয়া যাবে। কারণ, রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলি বা ওএমসি-র তরফে তথ্য সংগ্রহ ও হিসাবের কাজ শেষ হওয়ার পরই রাজ্যের মোট ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন হওয়ার সংখ্যা স্পষ্ট হবে।
রাজ্যে প্রায় ২.৭ কোটি ঘরোয়া এলপিজি সংযোগ
ডিলারদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে প্রায় ২.৭ কোটি ঘরোয়া এলপিজি সংযোগ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৮৭ শতাংশ সংযোগের গ্রাহকদের আধার-ভিত্তিক বায়োমেট্রিক ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন হয়েছে। তবে গ্রাহকের নাম পরিবর্তন বা নামের ভুল সংশোধনের মতো বেশ কিছু ক্ষেত্রে এখনও প্রক্রিয়া চলছে। সেই সমস্ত বকেয়া তথ্য চূড়ান্ত তালিকায় যুক্ত হলে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন হওয়ার হার আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
Also Read | একটি নয়! ৩ টি IIT র গর্ব তৈরির লক্ষে কেন্দ্রকে প্রস্তাব পাঠাল বাংলার ডবল ইঞ্জিন সরকার
ই-কেওয়াইসির জন্য গ্যাস ডিলারদের কাছে ভিড়
ই-কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক করার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন এলপিজি ডিলারের অফিসে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন দেখা গিয়েছে। অনেক গ্রাহকই তেল বিপণন সংস্থাগুলির অ্যাপ এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক যাচাইকরণ সম্পন্ন করতে সমস্যায় পড়েছেন। প্রযুক্তিগত সমস্যা এবং গ্রাহকদের অসুবিধার কারণে নির্ধারিত সময়সীমাও একাধিকবার পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রথমে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। পরে তা বাড়িয়ে ২৩ আগস্ট করা হয়। এরপর ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময়সীমা নিয়ে প্রস্তুতি চলছে।
Also Read | দিঘা-বকখালি থেকে কালিম্পঙ! গত এক বছরে বাংলার পর্যটনে বেসরকারি বিনিয়োগ ৫,৭১০ কোটি
৩১ আগস্টের পরেও করা যাবে ই-কেওয়াইসি
তবে ৩১ আগস্ট সময়সীমা শেষ হয়ে গেলেই ই-কেওয়াইসি পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাবে, এমনটা নয়। যে সমস্ত গ্রাহক এখনও তাঁদের এলপিজি সংযোগের ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করেননি, তাঁরা পরবর্তীতেও এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ডিলাররা। এলপিজি ডিলারদের মুখপাত্র বিজনবিহারী বিশ্বাস বলেন, ওএমসিগুলি জানিয়েছে যে ই-কেওয়াইসি পুরোপুরি বন্ধ হবে না। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে চালু থাকবে। ফলে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ই-কেওয়াইসি করতে না পারা গ্রাহকদের জন্য পরবর্তীতেও আধার-ভিত্তিক বায়োমেট্রিক যাচাইকরণের সুযোগ থাকবে।
