East Bengal: রুদ্ধশ্বাস জয়, দিল্লিকে হারিয়ে ডুরান্ড ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল

সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: এবার টাইব্রেকারে বাজিমাত করল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এদিন সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে নেমেছিল মশাল ব্রিগেড।…

East Bengal

সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: এবার টাইব্রেকারে বাজিমাত করল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এদিন সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে নেমেছিল মশাল ব্রিগেড। যেখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল টমাস টর্চজের স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি দল। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অমীমাংসিত ফলাফল থাকায় ম্যাচ চলে গিয়েছিল টাইব্রেকারে। সেখানেই বাজিমাত করে ময়দানের এই প্রধান।

Advertisements

ইংরেজিতে পড়তে ক্লিক করুন: East Bengal Beat SC Delhi to Reach Durand Cup Final

   

এদিন ম্যাচের প্রথম থেকেই গোলের মুখ খুলতে বদ্ধপরিকর ছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। কিন্তু বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল গোল পোস্ট। মহম্মদ রশিদ থেকে শুরু করে এডমুন্ড লালরিন্ডিকার মতো ফুটবলাররা শট নিলেও গোলের মুখ খোলা সম্ভব হয়নি কিছুতেই। এসবের মাঝেই প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময় পেনাল্টি আদায় করে নিয়েছিল স্পোটিং ক্লাব দিল্লি। কিন্তু সেখান থেকে গোল করতে পারেননি রদ্রিগুইনহো। যথেষ্ট দক্ষতার সাথে বল আটকে দেন লাল-হলুদ গোলরক্ষক প্রভসুখান সিং গিল। দলের সাক্ষাৎ পতন রোধ করার পর আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে চলে আসে গোটা দল।

তবে প্রথমার্ধের শেষে গোলের মুখ খোলা সম্ভব হয়নি কারুর পক্ষেই। দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছিল আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের ছেলেরা। কিন্তু গোলের ক্ষেত্রে বারংবার বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল গোল পোস্ট। নাহলে অনায়াসেই বড় ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারত মশাল ব্রিগেড। পরবর্তীতে ডেভিড লালহানসাঙ্গা থেকে শুরু করে রোহিত দানু সুযোগ পেলে ও আসেনি গোল। ডেভিড বক্সে ঢুকে সহজ সুযোগ পেলেও প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকের সক্রিয়তায় তা কাজে লাগাতে পারেননি। যারফলে নির্ধারিত সময়ের পর খেলা চলে যায় টাইব্রেকারে।

Advertisements

সেখানেই পাঁচটি শটে পাঁচটিতেই আসে গোল। বল গোলে ঠেলে দেন আনোয়ার আলি থেকে শুরু করে রোহিত দানু ,লালচুংনুঙ্গা,ইকোনোমিডিস এবং মহম্মদ রশিদ। অপরদিকে, স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি শুরুতেই শট মিস করায় বাড়তি অ্যাডভান্টেজ পেয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল।যারফলে পরবর্তী শট গুলিতে গোল আসলেও শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ পর্যন্ত ৫-৩ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে চলে গেল গতবারের আইএসএল জয়ীরা।

Advertisements