কলকাতা: ব্যারাকপুর সেনানিবাস এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে (Cantonment)। স্থানীয় বিধায়ক অর্জুন সিং আজ ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড অফিসে গিয়ে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অনুজ গোয়েল আইডিইএস-এর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার পরিকাঠামো উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। সদর বাজার ও অর্ডারলি বাজারের রাস্তা পুনঃনির্মাণ বা রিকার্পেটিংয়ের বিষয়টি আলোচনায় আসে। সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলোর পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। এলাকায় পর্যাপ্ত রাস্তার আলো স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ও আলোচিত হয়।
আরও দেখুনঃ বাংলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পরিষেবা দিতে ৪ নয়া গ্রীডে ৪৭৩.০৬ কোটি অনুমোদন
স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যাগুলোর সমাধান চেয়ে আসছিলেন। (Cantonment)ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কথাও বৈঠকে উঠে আসে। অর্জুন সিং আশ্বস্ত করেন যে সিএসআর উদ্যোগ এবং সরকারের উপযুক্ত প্রশাসনিক মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহের চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য অর্থের ব্যবস্থা করতে তিনি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবেন।
তাই অবকাঠামো, শিক্ষা ও নাগরিক সুবিধার উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার কথা জানান তিনি। (Cantonment)স্থানীয় মানুষের সার্বিক কল্যাণ ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।অর্জুন সিং বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পশ্চিমবঙ্গ উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নে এবং মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে তাঁদের প্রচেষ্টা ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
আরও দেখুনঃ রাইটার্স নয়!এবার তৃণমূলের ছেড়ে যাওয়া দুর্গাঙ্গনের জমিতেই হবে ৫৪ দফতরের প্রশাসনিক সদর দফতর
ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্টের উন্নয়ন ও স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে এই সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।বৈঠকে উপস্থিত অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও এলাকার সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। রাস্তার অবস্থা, স্কুলের পরিকাঠামো এবং রাস্তার আলোর অভাব নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি থাকায় কিছু ক্ষেত্রে উন্নয়ন কাজে বিশেষ অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও বিধায়কের সমন্বয়ে এসব কাজ এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
