৮ হাজার ৪৫২ কোটি ব্যালান্স নিয়ে রেকর্ড করল পিএম কেয়ার্স ফান্ড

নয়াদিল্লি: পিএম কেয়ার্স ফান্ডের মোট জমা অর্থ এখন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে (PM CARES Fund)। সাম্প্রতিক নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই তহবিলের ব্যালেন্স দাঁড়িয়েছে আট…

pm-cares-fund-balance

নয়াদিল্লি: পিএম কেয়ার্স ফান্ডের মোট জমা অর্থ এখন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে (PM CARES Fund)। সাম্প্রতিক নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই তহবিলের ব্যালেন্স দাঁড়িয়েছে আট হাজার চারশো বাহান্ন কোটি টাকা। গত তিন বছরের অডিট রিপোর্ট এখন জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়েছে এবং তাতে দেখা যাচ্ছে যে তহবিলের পরিমাণ ক্রমাগতভাবে বাড়ছে।

Advertisements

বিশেষ করে ফিক্সড ডিপোজিট থেকে অর্জিত সুদের অর্থই এই বৃদ্ধির বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে (PM CARES Fund)।অডিট রিপোর্টে উঠে এসেছে যে, তহবিলের একটি বড় অংশ এখন ফিক্সড ডিপোজিটে রাখা হয়েছে। প্রায় ছয় হাজার ছয়শো কোটি থেকে সাত হাজার আটশো কোটি টাকার কাছাকাছি অর্থ এখন এই ডিপোজিটে আছে। এর ফলে শুধুমাত্র সুদ থেকেই প্রায় চারশো পঁচাত্তর কোটি টাকা আয় হয়েছে।

   

আরও দেখুনঃ লালকেল্লা বিস্ফোরণের মাথা বিলালের জামিনের আবেদন খারিজ করল দিল্লি হাইকোর্ট

নতুন অনুদান ছাড়াই তহবিলের আকার বাড়ছে। (PM CARES Fund)একদিকে দেশি ও বিদেশি অনুদানের পরিমাণ কিছুটা কমেছে, অন্যদিকে বিদ্যমান অর্থ থেকে অর্জিত সুদ তহবিলকে আরও শক্তিশালী করছে।পিএম কেয়ার্স ফান্ড গঠন করা হয়েছিল ২০২০ সালে কোভিড মহামারির সময় জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য। তখন থেকেই এটি বিভিন্ন ত্রাণ ও সহায়তা কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

Advertisements

বর্তমানে সরকার পিএম কেয়ার্স (PM CARES Fund)ফর চিলড্রেন প্রকল্পের মাধ্যমে কোভিডকালে বাবা-মা বা অভিভাবক হারানো শিশুদের সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। এই প্রকল্পের আওতায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তহবিলের বর্তমান অবস্থা দেখিয়ে দিচ্ছে যে, জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত রিজার্ভ তৈরি করা হয়েছে।নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে তহবিলের আর্থিক অবস্থা নিয়ে স্বচ্ছতা বাড়ছে বলে অনেকের মত।

আরও দেখুনঃ দেশে ফাঁসির সাজাই বহাল! ‘কম যন্ত্রণাদায়ক’ বিকল্পের আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

যদিও অতীতে এই তহবিল নিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দাবি উঠেছিল, এখন গত কয়েক বছরের অডিট রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ায় জনগণ তথ্য জানতে পারছে। রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ব্যয়ের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম রাখা হয়েছে এবং মূল অর্থ ফিক্সড ডিপোজিটে রেখে সুদ অর্জনের নীতিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এতে করে ভবিষ্যতের যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে তহবিল ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়ছে।

Advertisements