বিজেপিতে বড় রদবদল! সংগঠনে বড় দায়িত্বে ফিরছেন স্মৃতি-অনুরাগ

নয়াদিল্লি: সর্বভারতীয় রাজনীতিতে ফের বড়সড় চমক দিতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। দলের সর্বভারতীয় সংগঠনে ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরতে চলেছেন দুই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ…

নয়াদিল্লি: সর্বভারতীয় রাজনীতিতে ফের বড়সড় চমক দিতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। দলের সর্বভারতীয় সংগঠনে ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরতে চলেছেন দুই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর এবং স্মৃতি ইরানি। সিএনএন-নিউজ ১৮ (CNN-News18)-এর সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সোমবারই দলের নতুন কোর টিমের নাম ঘোষণা করতে পারেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন।

Advertisements

তরুণ মুখ ও অভিজ্ঞতার মেলবন্ধন

বিজেপির এই বহু প্রতীক্ষিত সাংগঠনিক রদবদলে অভিজ্ঞ নেতাদের পাশাপাশি একঝাঁক নতুন মুখকে জায়গা দেওয়া হতে পারে বলে খবর। জানা গিয়েছে, নতুন দলের সদস্যদের গড় বয়স হতে পারে ৫০ বছরের কাছাকাছি। পাশাপাশি তরুণ এবং মহিলাদের বৃহত্তর প্রতিনিধিত্ব এবং আঞ্চলিক ভারসাম্যের দিকটিও বিশেষভাবে নজরে রাখা হচ্ছে। এই আবহে স্মৃতি এবং অনুরাগের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন, সভাপতি হিসেবে নীতিন নবীনের প্রথম বড় সাংগঠনিক রদবদলের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক হতে চলেছে।

   

অনুরাগ ও স্মৃতির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

হিমাচল প্রদেশের হামিরপুরের লোকসভা সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর এর আগে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন। পাশাপাশি তিনি অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবেও কাজ করেছেন।

এদিকে, বিজেপির অন্যতম পরিচিত মুখ স্মৃতি ইরানি ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত লোকসভায় আমেঠির প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছেন। অতীতে তিনি দলের মহিলা মোর্চার সর্বভারতীয় সভানেত্রী এবং জাতীয় সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বও পালন করেছেন।

Advertisements

২০২৭-এর নির্বাচন ও নবীনের ‘ব্লু-প্রিন্ট’

মাত্র ৪৫ বছর বয়সে বিজেপির কনিষ্ঠতম সর্বভারতীয় সভাপতি হয়েছেন নীতিন নবীন। দলে তাঁর এই উত্থানকে প্রজন্মের পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছে রাজনৈতিক মহল। এই সাংগঠনিক রদবদলকে তাই কেবল রুটিন পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে না। বিশেষ করে ২০২৭ সালের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই দলের এই নতুন কাঠামো সাজানো হচ্ছে।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে সভাপতি নবীন ইতিমধ্যেই তৃণমূল স্তর থেকে মতামত নেওয়া শুরু করেছেন। উত্তরপ্রদেশের প্রায় ২০ জন বিজেপি সাংসদের সঙ্গে তিনি একান্তে বৈঠকও করেছেন, যেখানে জাতপাতের সমীকরণ এবং দলের কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধির বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

ভারসাম্য রক্ষার কৌশল

সব মিলিয়ে বিজেপির এই নতুন সাংগঠনিক কাঠামো রাজনৈতিক দিক থেকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে। যেখানে নবীন একদিকে তরুণ ও মহিলাদের প্রাধান্য দিয়ে দলে নিজের ছাপ ফেলতে চাইছেন, ঠিক তেমনই স্মৃতি বা অনুরাগের মতো পরিচিত এবং প্রতিষ্ঠিত নেতাদের ফিরিয়ে এনে দলে ধারাবাহিকতা ও অভিজ্ঞতার ভারসাম্য বজায় রাখতে চাইছেন।

‘আমি দিমাগী নকশাল হয়ে গর্বিত!’ মোদীকে পাল্টা চিদাম্বরমের

হেলিকপ্টার ‘প্রচন্ড’ তৈরিতে আদানি ডিফেন্স-BEML র সঙ্গে হাত মেলাল HAL

 

Advertisements